
পতাকা ডেস্ক: গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপি’র সমাবেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা পূর্ব পরিকল্পিত, প্রশাসন এর দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। গতকাল থেকে গোটা দেশবাসী বিস্ময়েয় সাথে লক্ষ্য করেছে যে,পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ঘোষণা দিয়ে এনসিপির মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য হুমকিধামকি দিতে থাকে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের নিবৃত্ত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য তৎপরতা দেখতে পাই নাই। তাইতো আজকে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের জীবননাশ করার জন্য সন্ত্রাসীরা দেশী-বিদেশী অস্ত্র, পিস্তল, রিভলবার নিয়ে হামলে পরে। যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাফলতিই প্রকাশ পায় বলে জানান এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা।
আজ সন্ধ্যা ৭ টায় এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংলগ্ন বিজয় একাত্তর চত্বরে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের দফায় দফায় হামলার প্রতিবাদে মিছিলের প্রারম্ভে এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
অ্যাডভোকেট রানা আরো বলেন, গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের সীমানার একটি অংশ, এখানে শুধু পতিত ফ্যাসিস্ট ছাড়া কেউ সমাবেশ করতে পারবে না এটি হতে পারে না। নতুন গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এটি চলতে দিবো না। পতিতি স্বৈরাচারের দোসরদের বিষ দাঁত ভেঙে দিতে হবে, যাতে তারা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। সেইসাথে আমরা যারা একসাথে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছি, আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তর্ক বিতর্ক হবে, মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু পতির স্বৈরাচার প্রশ্নে আমাদেরকে এক থাকতে হবে। যে কোন মূল্যে আবু সাঈদ,ওয়াসিম, মুগ্ধের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে দিবো না।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিজয় একাত্তর চত্বর থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল, বিজয়নগর, কাকরাইল, পল্টন সহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিজয় একাত্তর চত্বরে এসে সমাপ্ত হয়। এসময় এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক( বরিশাল) গাজী নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক( রাজশাহী) অ্যাডভোকেট সাঈদ নোমান, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফারাহ নাজ সাত্তার,
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল হালিম খোকন, আনোয়ার ফারুক, উত্তরের সদস্য সচিব সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সফিউল বাশার, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সহ সম্পাদক কেফায়েত হোসাইন তানভীর, তোফাজ্জল হোসাইন রমিজ, সহ দপ্তর সম্পাদক সরন চৌধুরী, মশিউর রহমান মিলু, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা,এবি যুব পার্টির দপ্তর সম্পাদক আমানুল্লাহ রাসেল, যুব নেতা রাশেদুল ইসলাম,
নারী নেত্রী রাশিদা আক্তার মিতু, যুব নেত্রী ইশরাত জাহান সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।




