
সারা বিশ্বে যেখানে শরণার্থীদের দেখা হচ্ছে বোঝা হিসেবে সেখানে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে সবার সামনে উচ্চারিত হচ্ছে ফ্রান্সের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রী নাজাত বিলকেসম। মরক্কোতে এক রাখাল বালিকা থেকে বর্তমানে তার মন্ত্রী হওয়ার গল্পটি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে উন্নত বিশ্বকে। আসলেই কি শরণার্থীরা বোঝা, নাকি সম্পদ?
নাজাত বিলকেসম তার শৈশব কাটিয়েছেন দারিদ্র্যের মধ্যে। সেখান থেকে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলে এখন ফ্রান্সের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তিনি। এই নারী প্রমাণ করেছেন দারিদ্র্যের মধ্যে কাটিয়েও সফল হতে পারেন একজন।
মরক্কোর নাদোর নামের ছোট একটি গ্রামে ১৯৭৭ সালে জন্ম নেন নাজাত বিলকেসম। তার বাবা ফ্রান্সে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। এক সময় তার বাবা পরিবারসহ ফ্রান্সে চলে আসেন। বাবার ডাকে ১৯৮২ সালে তিনি ফ্রান্সের আমিয়ানসে এসে বসবাস শুরু করেন। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্যারিস ইনস্টিটিউট অব পলিটিকস স্টাডিজ থেকে ২০০২ সালে তিনি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। এরপর সোসিয়ালিস্ট পার্টির হয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন তিনি।
রোহনে আলপিনেসে তিনি কাউন্সিল উইমেন হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর সে রোহনের কাউন্সিল জেনারেল হিসেবে নির্বাচিত হন। রাজনীতিবিদ হিসেবে এ সময় থেকে তিনি সুপরিচিতি পান। প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ অধীনে ২০১২ সালে তিনি নারী অধিকার ও সরকারের পক্ষ থেকে নারীদের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান। সর্বশেষে ২০১৪ সালে শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে তিনি নিয়োগ লাভ করেন।
এই দীর্ঘ পথে তিনি বারবার দেশটির কনজারভেটিভ পার্টির বাজে মন্তব্যের শিকার হন। তার কারণ তিনি মরক্কো থেকে আসা একজন মুসলিম নারী, যার শৈশব কেটেছে রাখাল হিসেবে। দলটি নিয়মিত তার বিরুদ্ধে দোষারোপ করে এবং তার পোশাকের ব্যবহার নিয়ে সমালোচনা করে। কিন্তু তাদের প্রতিটি সমালোচনার জবাব দেন নাজাত। ইন্টারনেট




