
ভারত অধিকৃত কাশ্মিরে সেনা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের জামাত উদ দাওয়া নামের একটি সংগঠনের প্রধান হাফিজ সাঈদ। তিনি পাকিস্তানের সেনা প্রধানকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘ভারতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য পাকিস্তানের উচিত কাশ্মিরে সেনা পাঠানো।’
বুরহান ওয়ানি নামের একজন স্বাধীনতাকামী নেতার মৃত্যুর পর উত্তাল হয়ে আছে কাশ্মির। প্রতিদিনই সেখানে আন্দোলনকারীরা ভারতীয় সেনা বাহিনীর অত্যাচারের শিকার হচ্ছে বলে দাবি হাফিজ সাঈদের।
এ কারণেই তিনি পাকিস্তানের সেনা প্রধানকে কাশ্মিরে সেনা পাঠিয়ে সেখানকার সাধারণ মানুষের মুক্তির পথ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। লাহোরে জামাত উদ দাওয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ সাঈদ বলেন, ‘কাশ্মিরিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছে। কাশ্মিরের সব মানুষ এক পতাকার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করেছে। স্বাধীনতার জন্য কাশ্মিরে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের চেষ্টা বিফলে যাবে না।’
এ দিকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাফিজ সাঈদের এ ধরনের বক্তব্যে পাকিস্তান সরকারের ইন্ধন আছে। এর আগে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কাশ্মিরিদের স্বাধীনতার আন্দোলনকে পাকিস্তানের উসকানি বলে মন্তব্য করেছে।
এর মধ্যে হাফিজ সাঈদের এ ধরনের বক্তব্য ভারতপন্থী বিশ্লেষকদের কাছে তাকে পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধিই বানিয়ে ফেলেছে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মির নিয়েও কদিন আগে বিরূপ মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন যে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরের মানুষ ভারত সরকারের কাছে সহায়তা চেয়েছে।
স্বাধীনতা দিবসের বক্তব্যে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনার শিকার হন মোদি। পাকিস্তান তার এমন মন্তব্য ভালোভাবে গ্রহণ করেনি। মোদির বক্তব্য বিষয়ে পাকিস্তানের গণমাধ্যমে সে দেশের প্রশাসনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।




