
চার বছর আগে ওলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বাহার-বৈভবে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল লন্ডন। সে জন্য তারা শুধু ওপেনিংয়ের জন্য ব্যয় করেছিল ২৭২ কোটি টাকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ঢালার ক্ষমতা নেই ব্রাজিলের। তবে চটকদারিতায় না পারলেও, বৈচিত্র ও বর্ণময়তায় লন্ডন ওলিম্পিকসের চেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান উপহার দিতে প্রত্যয়ী রিও। সাম্বা তো থাকবেই, এর সঙ্গে ব্রাজিলের নিজস্ব সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় ওলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে চায় তারা।
জানা গিয়েছে অনেকটা ঘরোয়াভাবেই ওলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাজিয়েছে ব্রাজিল। ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী বৈচিত্রপূর্ণ সাংস্কৃতিক কলাকৌশল পরিবেশনাতেই অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। থাকছে ব্রাজিলের জাতীয় সমস্যাগুলোর ছাপও। কোনও রকম রাখঢাক না রেখে ছিনতাই কিংবা শ্লীলতাহানির মতো জাতীয় সমস্যাগুলিকেও গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরবে ব্রাজিল।
এছাড়া কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান মডেল বান্ডচ্যান ক্যাটওয়াকের মাধ্যমে মঞ্চ আলোকিত করবেন। আবার মেলে ধরা হবে অপার সৌন্দর্যের আমাজন আর সমুদ্র সৈকতের চিত্রায়নও। লাইট এন্ড সাউন্ড শো এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে ব্রাজিলে পর্তুগীজ উপনিবেশের ইতিহাস। গোটা মারাকানা স্টেডিয়াম জুড়ে থাকবে ১০৯টি প্রজেক্টর। বিশ্বখ্যাত তারকা অ্যানিত্তা, কায়েতানো ভেলোসো ও গিলবার্তো গিলের পরিবেশনা ছাড়াও গ্রুপ ড্যান্সে অংশ নেবেন ছয় হাজার স্বেচ্ছাসেবক।
পুরো অনুষ্ঠানটির পরিচালনার দয়িত্বে রয়েছেন ‘সিটি অব গড’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা ফার্নান্ডো মেইরেলেস। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ৫টায় শুরু হবে ওলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।




