তারেক রহমাকে দণ্ড দেয়ায় ফ্রান্সে প্রতিবাদ সভা

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমাকে মিথ্যা মামলায় দণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ ফ্রান্সে উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার প্যারিসের একটি রেষ্টুরেন্টে সংগঠনের সভানেত্রী শামিমা আক্তার রুবি সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল রুবেলের পরিচালনায় সভায় দেশ থেকে টেলিকনফারেন্স বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, ফ্রান্স বিএনপির সহ সভাপতি মিরজান আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক কৃষক আব্দুল কাইয়ুম, তৃর্ণমুল বিএনপির সভাপতি ইকবাল হোসেন আলী, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদের সহ সভাপতি আব্দুল করিম মাষ্টার, তৃর্ণমুল বিএনপির সহ সভাপতি সাইদুর রহমান, লেলিন আহমদ, সাংগটনিক সম্পাদক এহসানুর রহমান রাসেল, যুগ্ন সম্পাদক মেহেদী হাসান লিমন, প্রচার সম্পাদক কাউছার আহমদ, খায়রুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদের সহ সভাপতি লুৎফুর রহমান, ইঞ্জি: শরিফুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাংগাঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আকাশ, সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল, প্রচার সম্পাদক আব্দুল লতিফ টিপু, দপ্তর সম্পাদক লাবনী আক্তার, সহ দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক প্রফেসর তছলিমা আক্তার ।
বক্তরা বলেন, দেশে এক মহাক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দলমত নির্বিশেষে ঐক্যের ডাক দিচ্ছেন, তখন অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকার জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে তারেক রহমানের উপর মিথ্যা মামলার সাজা দিয়েছে। যতই মামলা হামলা, সাজা দেয়া হোক না কেন তারেক রহমানই দেশের ভবিষ্যত রাষ্ট্রনায়ক। কোন শক্তিই তাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।
বক্তরা আরো বলেন, সরকার বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। প্রত্যেকটি জঙ্গি হামলার সাথে সরকারীদলে লোক জড়িত। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়ে কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কৌশলে চেয়ারপারসনের কার্যালয়কে সরিয়ে দেয়ার নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চলেছে। সরকারকে হুঁশিয়ার করে বক্তরা বলেন, গুলশান থেকে খালেদা জিয়ার কার্যালয় সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রকে যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সিনিয়র সদস্য মিজান শিকদার, ড. কামরুল হাসান, আল আমিন, সজিব খান কাকন, জিতেন্দ সুত্রধর, রিমন আহমদ, রাশেদ আহমদ, এমরান হোসেন, মেহেরা বেগম, আকরাম হোসেন, সজীব আহমদ, পলাশ সরকার, নুরুজ্জামান নোমান, সাজরিন আক্তার, ফরিদ উদ্দিন, পারভেজ আহমদ, সীমান্ত, কামরুল হাসান, আকবর হোসেন, আমির হোসেন, আফরোজা ফারজানা, এম ডি মজিদ, এনামুল হক জিনালী, আলমগীর হোসেন প্রমুখ। সভার শুরুতে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী নাগরিক মুক্তি পরিষদ ফ্রান্সের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।



