
মিথ্যা তথ্য ও জাল অনাপত্তি সনদ দেখিয়ে সরকারি কর্মকর্তা নন এমন নাগরিকদের অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেয়ার ঘটনায় পাসপোর্ট অধিদফতরের পরিচালকসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঢাকার আগারগাঁওয়ের বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক মুন্সী মুয়ীদ ইকরাম ও একই অফিসের উচ্চমান সহকারী সাইফুল ইসলাম। জালিয়াতির অভিযোগে তারা অধিদফতর থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত রয়েছেন।
দুদক সূত্র জানায়, জালিয়াতির অভিযোগে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলা দায়ের করেন, দুদকের উপ-পরিচালক বেনজির আহমেদ। মামলা দায়েরের পর পরই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়ার সই জাল করে ১৮ জনের নামে অনাপত্তিপত্র তৈরি করেন। পরে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টকে অফিশিয়াল পাসপোর্টে রূপান্তর করেন। ওই সব অবৈধ পাসপোর্টের মাধ্যমে পাসপোর্টধারীরা সরকারি কর্মচারী হিসেবে অবৈধভাবে তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে যান এবং পরবর্তী সময়ে গ্রেফতার হয়ে দেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে নষ্ট করেছেন। এনওসিগুলো জাল ও ভুয়া জানা সত্ত্বেও তা যাচাই না করে পরিচালক মুন্সী মুয়ীদ ইকরামসহ আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অফিশিয়াল পাসপোর্ট ইস্যু করেছেন।
মামলায় বলা হয়, ১৮ জনের নামে পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলেও আরো অনেককে এভাবে পাসপোর্ট দেওয়ার তথ্য রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে মোট ৬৬ জনকে সরকারি পাসপোর্ট দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।




