
পতাকা ডেস্ক : ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি ও অভিনেতা শরিফুল রাজের সংসারে অনেকদিন থেকেই ঝামেলা চলছিল। বিচ্ছেদের গুঞ্জনও উঠেছিল এর আগে। এবার সব জল্পনা শেষে জানা গেল রাজকে ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছেন পরীমণি।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে ডিভোর্স পেপারে সই করে রাজকে পাঠিয়েছেন বলে পরীমণির ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে জানতে পরীমণি এবং শরিফুল রাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট মান-অভিমান ভুলে একত্রিত হয়েছিলেন আলোচিত এ দম্পতি। ছেলে রাজ্যের জন্মদিনকে কেন্দ্র করে একসঙ্গে দেখাও মিলেছিল তাদের।
পরে ১৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরীমণি-শরিফুল রাজের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন তাপস। এর মধ্যে একটি ছবিতে রাজকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায় পরীমণিকে।
২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে শরিফুল রাজ-পরীমণির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। অতিথির তালিকায় ছিলেন তিন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চয়নিকা চৌধুরী ও রেদওয়ান রনি। সঙ্গে দুই পরিবারের স্বজনরা।
যে কারণে রাজকে ডিভোর্স দিলেন পরী
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজের সংসারে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা চলছিল। এবার সব জল্পনা শেষে রাজকে ডিভোর্স নোটিশ পাঠিয়েছেন পরীমণি। জানা গেছে, চারটি কারণ দেখিয়ে রাজকে ডিভোর্স দিয়েছেন পরীমণি।
সেখানে তিনি কারণ হিসেবে জানান ১. মনের অমিল হওয়া, ২. বনিবনা না হওয়া, ৩. খোঁজ না নেয়া এবং ৪. মানসিক অশান্তি জন্য ১৮ নম্বর কলাম অনুযায়ী বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করতে চান।
পরীমণি এবং শরিফুল রাজ ‘গুণিন’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়েই সম্পর্কে জড়ান। এরপর প্রেম পর্ব কাটিয়ে বসে যান বিয়ের পিঁড়িতে। ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পরীমণি ও শরীফুল রাজ। ২০২২ সালে এই দম্পতির সংসারজুড়ে আসে একটি পুত্রসন্তান।




