হরিরামপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কৃষকের জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

হরিরামপুর মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদের বিরুদ্ধে কৃষকের জমির মাটি কেটে বিক্রি এবং জমি রেজিস্ট্রেশন না করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যানের দেওয়ান সাইদুর রহমানের নিকট দুটি অভিযোগ করেছেন উপজেলার চালা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের জিয়ারদ্দিনের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর দেয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, প্রতিবেশি আব্দুল মজিদ এ বছরের ১৫ মার্চ তার জমি কেটে পুকুর তৈরি করেন এবং তাকে সমপরিমাণ জমি রেজিষ্ট্রেশন করে দেওয়ার কথা থাকলেও রেজিষ্ট্রেশন করে দেননি।
উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, প্রতিবেশি আব্দুল মজিদ এ বছরের ১৫ মার্চ তার জমি কেটে পুকুর তৈরি করেন এবং তাকে সমপরিমাণ জমি রেজিষ্ট্রেশন করে দেওয়ার কথা থাকলেও রেজিষ্ট্রেশন করে দেননি। এছাড়াও সম্প্রতি উত্তর মেরুন্ডি মান্নান মোল্লার বাড়ি থেকে ছকেল মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত একটি রাস্তার অনুমোদন হয়। ছকেল মোল্লার বাড়ির সামনে রাস্তার কাজ করার সময় রাস্তার জন্য যতটুকু মাটির প্রয়োজন তারচেয়ে বেশি মাটি তার জমি থেকে কেটে বিক্রি করেছে। মাটি কাটতে বাধা দিলে তার পরিবারের উপর হামলা, অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও মোবাইল ভাংচুর করেছে।
বুধবার দুপুরে চালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও চালা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ বলেন, জসিমসহ তার ভাইদেরকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। এখনো রেজিষ্ট্রেশন করে নেয়া হয়নি। জসিমসহ তার ভাইয়েরা আমাকে রেজিষ্ট্রেশন করে দেবে। আমি কি রেজিস্ট্রি করে দেব। ঝামেলা থাকলে জসিমদের ভাইদের সাথে আছে, আমার সাথে নেই। হামলা, বকাবাজি ও মোবাইল ভাংচুর ঘটনাও ঘটেনি। অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উত্তর মেরুন্ডি মান্নান মোল্লার বাড়ি থেকে ছকেল মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার মাটি কাটার বিষয়ে বলেন, ১৩ ফুট রাস্তার জন্য জসিমের জমির মাটি কাটা হয়েছে। অথচ আমার জমি থেকে ৫০০ ফুটেরও বেশি রাস্তায় মাটি কেটে দেয়া হয়েছে। মাটি বিক্রি কেন করবো! জসিমের জমি থেকে মাটি রাস্তায় দেয়া হয়েছে।
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে দু’পক্ষকে ডেকেছিলাম। দুপক্ষের কথা শুনেছি।
হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সমস্যার সমাধান হবে।




