সখীপুরে চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজির যৌন হয়রানির অভিযোগ

খাঁন আহম্মেদ হৃদয় পাশা, সখীপুর প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দীঘিরচালা গ্রামের শাহ আলীর মেয়ে শারমিন আক্তার (১৩) কে যৌন হয়রানি করেছেন আপন চাচা একই এলাকার মোঃ সিরাজুল ইসলামের ছেলে আঃ জলিল মিয়া।
জানা যায়, ভিকটিম শারমিন আক্তার (১৩) দীঘির চালা দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গত সোমবার বিকেলে গোসল সেরে ঘরে প্রবেশ করতেই ওত পেতে থাকা লম্পট চাচা আঃ জলিল মিয়া তাকে হাত চেপে ধরে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দিয়ে স্পর্শ করে এসময় বাড়িতে কেউ না থাকায় সে ভয়ে কাঁদতে থাকে এবং তার হাত থেকে বাঁচতে জড়াজড়ি করে একপর্যায়ে সে তার হাত থেকে ছুটে দৌড়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেয় এবং সেখানে তার ফুপু শেফালী বেগম (৩৫) এর কাছে সব ঘটনা খুলে বলেন।
ঘটনা শুনে ফুপু শেফালী বেগম কাঁচি হাতে ভাতিজিকে সাথে নিয়ে আঃ জলিল মিয়ার বাড়ি গিয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বাড়ি চলে আসেন।
অবশেষে সন্ধ্যায় বাজার থেকে শারমিন আক্তারের বাবা এবং বোনের বাড়ি গোবর চাকা থেকে মা কোহিনুর বেগম ফিরে এলে তাদের কাছে শারমিন এসব ঘটনা খুলে বলে।
পরদিন মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন দুলাল কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এসময় স্থানীয়, শারমিন আক্তারের আরেক চাচা সাংবাদিক কে দেওয়া তথ্যে আমির হোসেন বলেন, বিষয় টা নিয়ে আজ বুধবার সন্ধ্যায় ঘরোয়া ভাবে বসা হবে এবং সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এদিকে আঃ জলিল মিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, মূলত আমার জমি রয়েছে ওদের বাড়ির পাশে সেখানে আমি বাগান গাছ লাগিয়েছি তা দেখতেই গিয়েছিলাম,
ওখানে দুটি গাছ ভাঙ্গা দেখতে পেয়ে ভাতিজী শারমিন আক্তার কে শুধু জিজ্ঞেস করেছি এটা কে ভেঙ্গেছে, এছাড়া সবই মিথ্যে। আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।
এছাড়াও গতকাল কিছু সাংবাদিক এসে বিস্তারিত জেনে গেছেন তারা এবিষয়ে কোন কিছু লিখবে না আপনিও লেখবেন না।
এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন দুলালের সাথে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে, তিনি একটি জরুরি কাজে মিটিং আছে বলে ফোন কেটে দেন।
এদিকে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।




