slider

অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্পের টাকায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতাঃ অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি(ইজিপিপি) এর প্রকল্পের টাকায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে মেঘনা উপজেলার বড়কান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রিপন এর বিরুদ্ধে। কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বড়কান্দা ইউনিয়নের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি(ইজিপিপি) প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি(ইজিপিপি) এর আওতায় বড়কান্দা বড়ইতলা প্রধান সড়ক হইতে মোফাজ্জলের বাড়ি পর্যন্ত ৮৬.৪০০ ঘন ফুট একটি অপ্রয়োজনীয় মাটির রাস্তা নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। মূলত এই রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। শুধু সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এর জন্য এই রকম একটি অপ্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী(ইজিপিপি) এর মাধ্যমে গ্রামীন অবকাঠামো ও রাস্তা-ঘাট নির্মানে, সমাজের অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা করা হয় নাই। সড়ক নির্মাণের সম্পূর্ণ কাজই ভেকু মেশিনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রকল্পে কমিটির সভাপতি হিসেবে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার সুফিয়া বেগমের নাম থাকলেও এ প্রকল্পের সকল কাজ ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রিপন ও তার ভাই আনোয়ারের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হচ্ছে। তারা বড়কান্দা বড়ইতলা প্রধান সড়ক হতে মোফাজ্জলের বাড়ি পর্যন্ত সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় একটি সড়ক নির্মাণের নামে সরকারি ইজিপিপি এর বরাদ্দের টাকা অত্মসাৎ করার পায়তারা করছে। অভিযোগ পাওয়া যায় দরিদ্রদের কর্মসংস্থানের পরিবর্তে চেয়ারম্যান তার ভাই, ভাতিজা,আত্মীয়-স্বজনের ও অনুগত লোকদের নামে প্রকল্পের কার্ড বরাদ্দ দিয়েছে। কিছু দরিদ্র লোকের কার্ড করলেও সেই কার্ড তাদের হাতে না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রিপন। এ বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রিপন বলেন, “জনস্বার্থে রাস্তা নির্মাণ করেছি এখনও খরচের টাকা পাইনি, তারপরেও বিভিন্ন জনের কাছে জবাবদিহি করতে করতে বিরক্ত হয়ে গেছি আপনাদের যা মনে চায় লিখতে থাকেন।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button