slider

বিআরটিএ’র অফিসে ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ

সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট জেলা বিআরটিএ’র অফিসে’র ৩ কর্মকর্তার ঘুষ বানিজ্য অভিযোগ উঠেছে,
ট্রাক বাস মিনি বাস প্রাইভেট কার ও সিএনজি চালক দের অভিযোগ সরকার নির্ধারিত ফি নির্ধারণ করা থেকে ও বাড়তি মুনাফা আদায় করছেন।
গাড়ির ফিটনেস কাগজপত্র সহ ড্রাইভিং লাইসেন্স রেনু ও নতুন করতে গেলেই গুনতে হয় বাড়তি মুনাফা । আর কোন কর্মকর্তা না হয়ে, এডি রিয়াজ ও ইন্সপেক্টর বারির সহকারী পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিআরটিএ কার্যালয় লাইসেন্স করার জন্য গেলে আলীর মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন।
প্রাইভেট গাড়ির মালিকগণ ও পরিবহন শ্রমিক গন অভিযোগ ‌করেন, ড্রাইবিং লাইসেন্স করতে গেলে তন্যত‌ অজুহা দেখি এড়িয়যান। অসহায় শ্রমিক গন‌ দিনের পর দিন বিআরটিএ’র অফিসে এর বারান্দায় গড়াগড়ি করে মাসের পর মাস পার করেদেন লাইসেন্স এর জন্য। একজন সংবাদকর্মী উনি উনার নিজ মোটরসাইকেলের কাগজ নিয়ে জান বাড়তি মুনাফা না দেওয়ায় তিন থেকে চারদিন ঘুরিয়েছিলেন নাকি। একজন সংবাদ কর্মী ব্যাপারে যদি এরকম হয় তাহলে সাধারন জনগণ কি পরিণতি হবে।
সংবাদকর্মী নাজমা খামন প্রাইভেট কারের কাগজপত্র নিয়ে ও ভুক্তভোগী হয়েছেন ইন্সপেক্টর বারী সাহেব নাজমা খামনকে বলেন, আমি তোমাদের চাকরি করি না আমি যা বলছি তা দিতে হবে ।
তাদের এই ঘুষ বানিজ্য নির্বিশেষ‌ কোথায় বিআরটিএ র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে। অনুসন্ধান কররে বেরিয়ে এল থলের বিড়াল। ‌
এ ডি রিয়াজ, ইন্সপেক্টর বারি ও আলী, তাদের ঘুষ বানিজ্য দিন দিন দাপটের সঙ্গে চলছে। কোনো কিছু তোয়াক্কা করেনা।
আলীর ঘুষ বাণিজ্যের তথ্য চিত্র সংগ্রহ করা হয় ছবিতে। ঘুষ বাণিজ্য তথ্যচিত্র সংগ্রহের পর সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য ফোন দেওয়া হয়।
বিআরটিএ’র অফিসের প্রধান কর্মকর্তা এডি রিয়াজ এর মোটো ফোনে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করলে তিনি সবকিছু অশিকার করে এড়িয়ে যান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button