sliderস্থানিয়

১৩ দিন ধরে প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করছে একটি পরিবার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: জমিজমার বিরোধের জের ধরে টয়লেট ভেঙ্গে ফেলায় ১৩ দিন ধরে প্রতিবেশীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করতে হচ্ছে একটি পরিবারকে। ঘরদোরের বেড়া ভাংচুর করে যুলুম নির্যাতন করে গরীব অসহায় আপন চাচার পরিবারকে সরিয়ে দিয়ে দখল চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে ইতালী প্রবাসী মোঃ আলিম মিয়ার বিরুদ্ধে। চাচা নিজাম উদ্দিনের ঘরদোরের বেড়া ভাংচুর ও টয়লেট ভেঙে ফেলার কারণে মানবেতর জীবন যাপন করছে পরিবারের লোকজন। ১৩ দিন ধরে প্রতিবেশীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে টয়লেট ব্যবহার করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বাদী হয়ে নির্যাতিত পরিবারের নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী মোসাঃ হেনা বেগম(৫৫) বাদী হয়ে শিবালয় থানায় ইতালী প্রবাসী মোঃ আলিম মিয়া(৪৫) ও তার পিতা বেলায়েত হোসেনের(৬০) বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের বরংগাইল গ্রামের প্রবাসী মোঃ আলিম মিয়ার সাথে মৃত আফাজ উদ্দিনের রেখে যাওয়া অংশগত সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই চলছে পারিবারিক কলোহ ও অশান্তি। ইতালির টাকার গরমে আলিম মিয়া ধরাকে সরা জ্ঞান করে তার তিনতলা বিল্ডিংয়ের পাশে দেখতে চান না আপন চাচা-চাচী ও তার পরিবারের ভাঙ্গাচোরা টিনের ঘর। নির্যাতিত পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অসীম মন্ডলের বিরুদ্ধে অসৎ আচরনের অভিযোগ তুলেছেন। এসআই অসীম মন্ডল অভিযোগ হাতে পেয়ে বাদী হেনা বেগমের সাথে তার ন্যয্য দাবী প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে ইতালি প্রবাসী আলিমের পক্ষে রসহ্যজনক কারণে কথা বলতে থাকেন এবং বাদী হেনা বেগম ও তার পরিবারকে আলিমের কথা মতো কাজ করার জন্য বলেছেন বলেও বাদী হেনা বেগম সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করেন। অভিযোগ হাতে পেয়েই শিবালয় থানার ওসি মোঃ কামাল হোসেন প্রসিকিউশন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন মহাদেবপুর ইউনিয়ন বিট পুলিশিং কর্মকর্তা এসআই অসীম মন্ডলকে। ওসি মোঃ কামাল হোসেন আরো জানিয়েছেন, বিবাদীয় বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসার চেষ্টা চলছিল। আপোষ মীমাংসার বদলে বিষয়টি আরো জটিল আকার ধারণ করেছে বিধায় পুনঃরায় অধিক তদন্তের নিমিত্তে আইন প্রতিকার পেতে প্রশিকিউশন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button