
সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে আগের নিয়মে গণপরিবহন চালানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বাস মালিকরা। বুধবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।
প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে দেশ রুপান্তরকে জানিয়েছেন বিআরটিএর উপপরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।
এরপর মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী গণপরিবহন চলবে বলে তিনি জানান।
করোনা সংকটের মধ্যে প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ ১১ শর্তে ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চালুর অনুমতি দেয় সরকার। এতে ৫০ শতাংশ আসন খালি রাখতে বলা হয়। মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়ার ব্যবস্থা করে দেয় মন্ত্রণালয়। এই আদেশ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত থাকবে।
যাত্রীদের অভিযোগ, ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি বেশ ভালোভাবে চললেও ঈদযাত্রায় ও ঈদের পর থেকে এর ধার ধারছে না গণপরিবহন। অনিয়ম করে যাত্রীবেশি নেয়া হচ্ছে। আদায় করা হচ্ছে বর্ধিত ভাড়াও। এতে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বুধবার বিআরটিএর সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাস মালিকরা।
দেশ রূপান্তরকে মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বৈঠকে বাস মালিকরা দুটি প্রস্তাব দিয়েছেন। এর একটিতে তারা বলেছেন, বর্তমান যে নিয়মে গণপরিবহন চলবে সেটি কার্যকর থাকবে। তবে বাসে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না সেটি কঠোরভাবে বিআরটিএসহ আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য সংস্থাকে দেখভাল করতে হবে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে তারা বলেছেন, ৩১ আগস্টের পর আগের নিয়মে বাস চলার ব্যবস্থা করতে। এতে বর্ধিত ভাড়া আর নেয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমরা প্রস্তাব দুটিই মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী গণপরিবহন চলবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ দেশ রূপান্তরকে বলেছিলেন, লঞ্চ, স্টিমার, লেগুনাসহ সব পরিবহন আগের নিয়মে যাত্রী আনা নেয়া করছে। আমরা চাই বাসেও এ নিয়ম চালু করা করা হোক। তাহলে বর্ধিত ভাড়া নিয়ে আর বিতর্ক থাকবে না।
এদিকে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন স্থগিত চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএ চেয়ারম্যানের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হাসিম উদ্দিন এ নোটিশ পাঠান। দেশ রূপান্তর




