
পতাকা ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগটি একটা নীতিমালার মধ্যে দিয়ে হওয়া দরকার বলে মনে করে এবি পার্টি। সেই সাথে পুরো বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি যাতে মেধার ভিত্তিতে হওয়ার কথা বলেছি , কোন দলীয় বিবেচনায় যাতে এমন স্পর্শকাতর নিয়োগ যাতে না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন আমার বাংলাদেশ(এবি পার্টি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১১তম অধিবেশনে আরো উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, আজকে তত্বাবধায়ক সরকার, জরুরী অবস্থা জারি, প্রধান বিচারপতি নিয়োগ; নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি সংবিধানে সংযুক্তর বিষয়ে সকল রাজনৈতিক দলই ঐক্যমত্য পোষণ করেছেন। অপরদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে ২জন সিনিয়র বিচারপতির প্যানেল থেকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, এখানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই একমত পোষণ করেছেন তবে এই প্যানেলের প্রয়োগ নিয়ে মতপার্থক্যে রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগটি একটা নীতিমালার মধ্যে দিয়ে হওয়া দরকার বলে মনে করে এবি পার্টি। সেই সাথে পুরো বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি যাতে মেধার ভিত্তিতে হয় সেটি আমরা বলেছি।
দলের অপর নেতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক বলেন, জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি বিদ্যামান অবস্থার পরিবর্তনের পক্ষে সকল দলই ঐক্যমত্যে এসেছেন।কমিশনের প্রস্তাবে জরুরি অবস্থা জারির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি মন্ত্রীপরিষদকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব এসেছে তবে আমরা এবি পার্টি এটিকে আরো প্রতিনিধিত্বমূলক করার জন্য বিরোধী দলকেও সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছি।
বিদ্যামাম সংবিধানে বহিঃশত্রুর আক্রমণ, যুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিষয় উল্লেখ রয়েছে, এখান থেকে কমিশন অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জায়গায় এবি পার্টি সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলার বিষয়টি সংবিধানে সংযুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে।



