শুক্রবার কলোসিয়াম প্রত্নতাত্ত্বিক পার্কের কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, প্রত্নতাত্ত্বিকদের দলটি পৌরাণিক চরিত্রদের দ্বারা চিত্রিত একটি কক্ষে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন। পৌরাণিক চরিত্রগুলোর মধ্যে সেন্টাউর (গ্রীক পুরাণের ঘোড়া এবং মানুষের সংমিশ্রণে তৈরি একটি চরিত্র) এবং মেষপালক, বন্য পশুদের দেবতা প্যানের ছবি রয়েছে।
কক্ষটির প্রতিটি টাইলসে বিভিন্ন প্রাণীর ছবি অংকিত রয়েছে। চিতাবাঘ থেকে শুরু করে পাখির ছবিও দেখা যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সেন্টাউর ছাড়াও স্ফিংক্স (নারীর মুখ এবং সিংহের দেহবিশিষ্ট ডানাওয়ালা প্রাণী) এর ছবিও রয়েছে। পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্রের অংকিত চিত্রও দেখা গেছে।

প্রত্নতাত্ত্বিকরা এই কক্ষটির নাম রেখেছেন সালা ডেলা স্ফিনজ বা রুম অব স্ফিংক্স। তারা এটিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও কক্ষটির বেশিরভাগ অংশই এখনো মাটির নীচে রয়ে গেছে। এটি পুরোপুরি বের করতে হলে আরো উৎখননের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
প্রাসাদ কক্ষের কাছেই কাজ করার সময় আকস্মিকভাবে এই কক্ষটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকদের ওই দলটি।

উল্লেখ্য, খ্রিষ্টীয় ৬৪ থেকে ৬৮ শতাব্দীতে রোমান সম্রাটদের বিশাল এই প্রাসাদটি তৈরি করা হয়। পরবর্তীকালে অন্যান্য রোমান সম্রাটেরা এই প্রাসাদটি আরো বিস্তৃত করেন। এতে বাগান এবং কৃত্রিম হ্রদ সংযোজন করেন। ৬৮ খ্রিষ্টাব্দে নিরোর মৃত্যুর পর সম্রাট ট্রাজান গোল্ডেন প্যালেস মাটি দিয়ে ঢেকে দেন এবং সেখানে গোসলখানা তৈরি করেন।




