শেষ ওভারের লড়াইয়ে পারল না বাংলাদেশ

চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ার পর ভালো বোলিংয়ের বিপরীতে বাজে ফিল্ডিং। সেই ফিল্ডিংয়ের সুযোগে অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক করলেন অর্ধশতক। তাতে ম্যাচ শেষ ওভারে গেলেও দেখা হল না জয়।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুক্রবার ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৫ রান দরকার ছিল স্বাগতিকদের। সৌম্য সরকারের ৩ বল খেলেই সেটি তুলে নেন মালিক এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৫ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৪১। সেটি টপকাতে শোয়েব মালিক একাই করেন ৪৫ বলে ৫৮।
অথচ শফিউল ইসলাম শুরুটা করেন অন্য রকম। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে ওপেনার বাবর আজমকে (০) ফিরিয়ে দেন তিনি। পঞ্চম ওভারে আঘাত হানেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১৬ বলে ১৭ রান করা মোহাম্মদ হাফিজকে আমিনুল ইসলামের ক্যাচ বানান।
আরেক ওপেনার এহসান আলি থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন। ৩২ বলে ১১২.৫০ স্ট্রাইকরেটে ৩৬ করার পর তাকে থামান আমিনুল ইসলাম। ফেরার আগে চার নম্বরে নামা শোয়েব মালিকের সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়েন। শোয়েবকে রেখে এরপর ফিরে যান ইফতেখার আহমেদ (১৬)। এই জুটিতে আসে আরও ৩৬ রান।
গুরুত্বপূর্ণ দুটি জুটির পর বাংলাদেশের চিন্তা বাড়ান অভিজ্ঞ মালিক। ৪০ বলে অর্ধশতক পার করার সময় সীমানার কাছে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান। মোস্তাফিজের বলে ক্যাচ ছাড়েন শান্ত। আক্ষরিক অর্থে ম্যাচটাই ছেড়ে দেন তিনি।
এরপর শেষ ওভারেও ক্যাচ ফেলে অতিথিরা। সৌম্যর করা তৃতীয় বলে মিঠুন ডিপ-মিডউইকেটে রিজওয়ানের ক্যাচ ছাড়লে দুই রান নিয়ে ম্যাচ শেষ করে পাকিস্তান।
এর আগে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন তামিম-নাঈম। দলীয় ৭১ রানে থামে এই জুটি। রান আউট হন ৩৪ বলে চার চার ও এক ছক্কায় ৩৯ রান করা তামিম।
দলীয় রান তিন অঙ্কে পৌঁছানোর জোড়া ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পনেরোতম ওভারের তৃতীয় বলে লিটন দাস (১২) রান আউট হওয়ার পর চতুর্থ বলে উইকেট ছাড়া হন নাঈম। শাদাব খানের বলে লং-অনে ইফতেখার আহমেদকে ক্যাচ দেওয়ার আগে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন এই তরুণ ওপেনার। তার ৪১ বলের ইনিংসে রয়েছে তিন চার ও দুই ছক্কা।
১১৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া পাকিস্তান
পেসার আসাদ রউফের প্রথম শিকারে পরিণত হন পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা আফিফ হোসেন (৯)।
নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি সৌম্য সরকার। শাহীন শাহ আফ্রিদির করা উনিশতম ওভারের পঞ্চম বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফেরে বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১২৮।
অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ১৪ বলে ১৯ ও মোহাম্মদ মিঠুন ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট নেন হারিস রউফ, শাহীন শাহ, ও শাদাব খান।




