Uncategorized

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও’র সময় ১৮ বছর চাকুরীরত শিক্ষক বাদ দিয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বানিজ্যের অভিযোগ
গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালুভরা গ্রামের মৃত কাজেম উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে রফিকুল ইসলাম, গত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০০০ইং তারিখে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ধাওয়াগীর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা লগ্ন হইতে সহকারী শিক্ষক(সমাজ বিজ্ঞান) পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারী
২০০০ইং তারিখে যোগদান করিয়া ধারাবাহিকভাবে চাকুরী করিয়া আসছেন।
একইসাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের আবু খায়ের মন্ডল এর ছেলে আতাউল ইসলাম, গত ২৮ অক্টোবর ২০০২ইং তারিখে নিয়োগ পত্র পেয়ে ০২ নভেম্বর ২০০২ইং তারিখে যোগদান করিয়া কর্মরত আছেন কিন্তু প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির সময় উভয় শিক্ষকের নিকট হতে মূল কাগজপত্র অনলাইনে আবেদন করা কথা বলে নেওয়া হয় এবং পরবতীতে তাদের নাম এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন না করিয়া মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করিয়া তাদের নাম এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করেন।
বিষয়টি জানার পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারকে অবগত করা হলে অনলাইনের আবেদনটি বাতিল করেন বলে জানা যায়।
উভয় শিক্ষক তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে গত ১২ নভেম্বর ২০২০ইং বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি পরিদর্শন করার জন্য আসেন এবং তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন বলে জানা গেছে,
এই অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় উক্ত বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র/ছাত্রীদের নিকটে এই দু’জন শিক্ষক সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান প্রতিষ্ঠানটি টিনের বেড়া দিয়ে যখন শুরু হয় তখন থেকে আতাউল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম নিয়মিত পাঠদান করে আসছেন।
ধাওয়াগীর গ্রামের তরিকুল ইসলাম জানান, আমরা এলাকবাসী মিলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি যারা দীর্ঘ সময় বিনা বেতনে চাকুরী করেছেন তাদের নাম বাদ দিয়ে নতুন করে এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান শিক্ষক যাদের নাম দিয়েছেন তাদেরকে আমি বা আমরা কেউই চিনি না। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ঐ বিদ্যালয়ের জনৈক শিক্ষক জানিয়েছেন, এমপিওভুক্তির বানিজ্যের সাথে বগুড়া জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত রয়েছে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সভাপতি নাছির আলী বলেন, প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠালগ্নের শিক্ষককে বাদ দিয়ে কিভাবে নতুন শিক্ষক নিয়োগ করেছে তা আমি জানি না। এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলতে রাজী হয়নি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button