শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় পাহাড়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি বিরাজ করছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, জুরাছড়ি : পার্বত্য শান্তি চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়িত না হওয়াই পাহাড়ে প্রতিহিংসা রাজনৈতিক বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এ রাজনীতি। আতংক এখনো বিরাজ করছে পার্বত্য এলাকার গ্রামের মধ্যে। পার্বত্য শান্তি চুক্তি দ্রæত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার জুরাছড়িতে সেনা বাহিনীর উদ্যোগে মতবিনীময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও হেডম্যান, কার্ব্বারীগণ এ মন্তব্য করেন।
এ সময়জোন অধিনায়ক কেএম ওবায়দুল হকের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান উদয় জয় চাকমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী দেওয়ান, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বাছেদ, জুরাছড়ি, বনযোগীছড়া, মৈদং ও দুমদুম্যা ইউপি চেয়ারম্যানগণসহ বিভিন্ন বিভাগের সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বাছেদ, জুরাছড়ি, বনযোগীছড়া, মৈদং ও দুমদুম্যা ইউপি চেয়ারম্যানগণ, কুসুমছড়ি মৌজার হেডম্যান মায়া নন্দ দেওয়ান, ঘিলাতলী গ্রামের কার্ব্বারী অনিল কুমার চাকমা শিক্ষা কর্মকর্তা আশিষ কুমার ধর বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় জোন অধিনায়ক কেএম ওবায়দুল হক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত সাধারণ জনগন যুগ যুগ ধরে সন্ত্রাসীদের নীরবে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছে। এসব অর্থ দিয়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে অস্ত্র। আর সে অস্ত্র দিয়েই সাধারণ জনগনকে জিম্মি করে রেখেছে সন্ত্রাসীরা। এসব সন্ত্রসীদের প্রতিটি গ্রামে সন্ত্রাস বিরোধী কমিটির মাধ্যমে তাঁদের প্রতিরোধ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আইন শৃংখলা বাহিনী দুষ্ট্য দমনে বিশ্বাসী। সন্ত্রাসী ছাড়া আইন শৃংখলা বাহিনী কাউকে বিনা কারণে গ্রেপ্তার করবে না।
থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল বাছেদ বলেন, বিগত বছরের ডিসেম্বর মাসের আওয়ামী লীগের বিশেষ সাংগটনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমার হত্যাকান্ড ছাড়া চলতি জানুয়ারী মাসের ছোট দোকান চুরি ঘটনা ছাড়া বর্তমানে এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতি ভাল রয়েছে।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, উপজেলায় চলমান সরকারী গৃহীত বাস্তবায়িত ও চলমান প্রকল্প উস্থাপন করেন।
উল্লেখ্য মতবিনীময় সভায় আগে সেনা বাহিনীর উদ্যোগে স্থপিত জোন সদর দপ্তরে ছাত্র-ছাত্রীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্ভোধন ও সভা শেষে অনুদান এবং কৃষকদের ধান মারই মেশিন প্রদান করা হয়। এছাড়া বিগত বছরে এপ্রিল হতে অধ্যবধি পর্যন্ত ৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫শত টাকার বিনীময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন, অনুদান সহায়তা ও বিভিন্ন অপরাধ দমনের সাফল্য চিত্র ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।




