লালপুরে হজ্বে যেতে কিংবা মেয়ের বিয়েতে উৎকোচ দিতে হয় আওয়ামীলীগ নেতাকে

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের লালপুরে কদিমচিলান এলাকায় কোন মানুষ হজ্বে যেতে কিনবা কারো মেয়ের বিয়ে দিতে হলেও আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন ও আলম সহ তার সহযোগীদের উৎকোচ দেওয়া লাগে বলে অভিযোগ উঠেছে। রুহুল কদিমচিলান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক স¤পাদক পদে দায়িত্বে রয়েছে বলে জানা গেছে। সে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সহ মিথ্যা মামলাবাজ বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তার রোষানলে পড়ে ওই এলাকার মানুষদের হয়রানি শিকার হতে হচ্ছে।

আওয়ামীলীগের নেতা রুহুল আমিন ও আলম সহ তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহ¯পতিবার উপজেলার কদিমচিলান নতুন বাজার এলাকার বনপাড়া-পাবনা মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করেছেন এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী এবং ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান বলেন, হজ্বে যাওয়ার আগে রুহুল আমিন কে আশি হাজার টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক স¤পাদক রুহুল আমিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা স¤পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এবং ষড়যন্ত্রমূলক।
এবিষয়ে কদিমচিলান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ স¤পাদক ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম রেজা বলেন, রুহুল আমিন একজন বাজে প্রকৃতির ছেলে। ওই এলাকার রুহুল আমিন ও আলম সহ তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, বাড়িঘর ভাংচুর, চাঁদা আদায়ের জন্য মারপিট সহ এলাকায় অসহায় ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে করে। ইউনযি়ন আওয়ামীলীগরে সাংগঠনকি সম্পাদক রুহুল আমনি ইউনযি়ন পরষিদ নর্বিাচনে আওয়ামীলীগরে বদ্রিোহীর্প্রাথী ঘোড়া প্রতীকরে পক্ষে নর্বিাচন করছেে এবং সে একজন বাজে প্রকৃতরি ছলে। রুহুল আমিন সহ তাদের সহযোগীগের গ্রেফতারের দাবি জানান ।




