লামায় কৃষক সমাবেশ অনুষ্টিত

জাহিদ হাসান,বান্দরবান প্রতিনিধি : লামায় কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভিন তিবরিজি বলেন, দেশকে কৃষি সমৃদ্ধ করতে বর্তমান সরকার প্রচুর ভর্তুকি দিচ্ছেন। বৈশ্বিক বাস্তবতায় বহুমুখী চাষাবাদের বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে কৃষির নানামুখী সম্ভাবনা রয়েছে। তামাক পাতা চাষ কমিয়ে আনতে হবে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, জীবন ঘনিষ্ট কৃষি উৎপাদনে সবাই এগিয়ে আসার জন্য সরকার বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ করছেন। ১নভেম্বর মঙ্গল বার বেলা ১১ টায় লামা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তফা জাবেদ কায়সার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, লামা পৌর মেয়র, জেলা পরিষদ সদস্য, ৩২ আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক, গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা কৃষি অফিসার।সভার সভাপতি লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, তামাকপাতা চাষ কমিয়ে নদীর চরগুলোতে নিত্যপন্য- অন্যান্য ফসল চাষ করতে ইতি মধ্যে উপজেলা প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করেছে। গজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের মাজে বিতরণকৃত শস্য বীজের মান নিয়ে কোনো আপোষ করা যাবে না। বীজের মান খারাপ হলে, এর প্রভাব ঘোটা কৃষি খাতে পড়বে।প্রসঙ্গতঃ যখন নিত্য পন্যসহ পেঁয়াজের ঝাঁজে ক্লান্ত নিন্ম আয়ের মানুষ। সেই মুহুর্তে লামা-আলীকদমে পেঁয়াজ-রশুন চাষের ঐতিহ্য পুন: উদ্ধারে কাজ করছেন প্রশাসন। ইতিমধ্যে প্রশাসনের উদ্যেগে লামা-আলীকদম মাতামুহুরী নদী, শাখা নদী, খাল ও বিভিন্ন ছড়ার জলদ্বার থেকে ৫০-৬০ ফুটের মধ্যে তামাক পাতা চাষ রোধে কাজ করছেন।
লামায় কৃষক সমাবেশ থেকেও বক্তরা একই আহ্বান জানান। এ সমাবেশের ফলে স্থানীয় কৃষকরা জীবন বান্ধব কৃষি উৎপাদনে আরো বেশি অনুপ্রানিত হয়েছেন মর্মে, বলিয়ার চরের কৃষক জহির হোসেন অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
একই মন্তব্য করেন লামা উপজেলা কৃষকলীগ নেতা কৃষক আবদুল ওহাব। কৃষকরা বলেন, বছরে অন্ততঃ ১ বার হলেও একটি কৃষক সমাবেশ করা হলে, অনুপ্রানিত হবেন কৃষকরা।




