রানের পাহাড় পেরিয়ে শ্রীলঙ্কার যুদ্ধ জয়

হারলেই বিদায় নিশ্চিত আর জিতলে টিকে থাকবে শেষ চারের সম্ভাবনা এমন সমীকরণকে সামনে রেখে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে শ্রীলঙ্কা। বাঁচা-মরার এ লড়াইয়ে টস জিতে ফিল্ডিং এর সিদ্ধান্ত নেয় লঙ্কানরা।
ইন্ডিয়ার দেওয়ার ৩২২ রান তাড়া করে ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পোঁছে যায় শ্রীলঙ্কা। ৭ উইকেটে এক দারুণ জয় পেলো শ্রীলঙ্কা।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। কেনিংটন ওভালে এরপর দানুস্কা গুনাথিলাকা ও কুশল মেন্ডিসের ১৫৯ রানের জুটি। দারুণ গতিতে রান তুলেছেন দুজনে। পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরির দেখা। তাতে উল্টো চাপে পড়ে যায় প্রতিপক্ষ ভারত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউটের শিকার গুনাথিলাকা ও মেন্ডিস দুজনেই সাজঘরে ফিরেছেন। গুনাথিলাকার ব্যাট থেকে এসেছে ৭৬ রান। মেন্ডিস খেলেছেন ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তাতে ভারত বধের স্বপ্ন দেখছে লঙ্কানরা। সেটাই হলো রান পাহাড় পেরিয়ে শ্রীলঙ্কা যুদ্ধ জয় করেই ফেলল।
ভারতের দেওয়া ৩২২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এদিন শুরু থেকেই সাবধানী ব্যাটিং করতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ঠান্ডা মাথায় ব্যাটয়ে ভারতকে হারাতে পারল শ্রীলঙ্কা।
মেন্ডিসের বিদায়ের পর কুশল পেরেরার সঙ্গে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। এ দুই ব্যাটসম্যান দারুণ ব্যাটিং করে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন জয়ের পথে। গড়েছিলেন ৭৫ রানের জুটি। তবে ইনজুরিতে পড়লে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন পেরেরা। ৪৪ বলে ৫টি চারে ৪৭ রানে থামেন তিনি।
অধিনায়ককে সঙ্গ দিতে আসেন আসেলা গুনারাত্নে। উইকেটে এসেই মারমুখী মেজাজে ব্যাট চালাতে থাকেন তিনি। অপরাজিত থেকে মাত্র ২১ বলে সমান সংখ্যক ২টি করে চার ও ছক্কায় করেন ৩৪ রান। ম্যাথুজ করেন অপরাজিত ৫২ রান। ৪৫ বলে ৬টি চারে গড়েন নিজের ইনিংসটি। অবিচ্ছিন্ন ৫১ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটসম্যান। ফলে ৮ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা। ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখলো দলটি।
সুত্র ঃ বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’




