রাত পোহালেই পুনঃনির্বাচন

মাহতাবুর রহমান, বরগুনা : বরগুনা জেলার আমতলীতে রাত পোহালেই উপজেলা পরিষদ পুনঃনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। ১৬ মার্চ আমতলী উপজেলা পরিষদ পুনঃনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরগুনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান জরুরি গণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। গণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ১৫ মার্চ রাত ১২টা থেকে ১৬ মার্চ রাত ১২ টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল, ট্রাক, পিকআপ, ইঞ্জিন চালিত যানবাহন (বাস ব্যতীত) নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া চলাচল করা যাবে না। আমতলী উপজেলায় ৭ টি ইউনিয়ন ও একটা পৌরসভা সহ মোট ৬১ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রে ৬১ জন প্রিজাইডিং অফিসার ৫৪৯ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ১০৯৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলা পুনঃনির্বাচনে পুরুষ ভোটার ৮৫৫৭৬ জন ও নারী ভোটার ৮৫৫১০ জন সহ মোট ১৭১০৮৬ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অ্যাডভোকেট এম এ কাদের মিয়া নৌকা প্রতীকে, মাওলানা ওমর ফারুক হাতপাখা প্রতীকে, জিল্লুর রহমান রুবেল মোক্তার আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই সভা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রার্থীরা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রর্থনা করেছেন তারা। পোস্টার, ব্যনার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে শহরের বিভিন্ন এলাকা। তবে এ পর্যন্ত উপজেলা জুড়ে কোন নির্বাচনী সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আনইশৃঙ্খলা বাহিনী, আনসার, গ্রাম পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত সকলে রয়েছেন সতর্ক অবস্থায়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একে এম মিজানুর রহমান বলেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করছি কোথাও কোন ঘটনা ঘটার আশঙ্কা দেখলে আমাদেরকে দ্রুত জানাবেন আমরা ব্যবস্থা নেব।
আমতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ সেলিম রেজা বলেন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন এখন পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনকে সুষ্ঠু সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত করতে নির্বাচন কমিশনকে আমতলী উপজেলা প্রশাসন সহযোগিতা করে যাচ্ছে।




