slider

রাজারহাটে জাকির হোসেন এর মিনি পুকুরে পদ্মফুল

আশিকুর রহমান লিমন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় সদর বাজারে কোলাহলে মুখর থাকেন সারা দিন ও রাত, কলেজ শিক্ষক জনাব, জাকির হোসেন সেখানেই তার বাড়ি। সেই বাড়ি আঙিনায় সাড়ে তিন শতক জমির জলশায় তৈরী করেছেন মিনি পুকুর। সেই জলাশয়ে মিনি পুকুরে এখন ফুটেছে শত শত পদ্মফুল এই পদ্মফুল দেখে মনে হয় এ যেনো স্বপ্ননের পদ্মফুল।
তবে পদ্ম ফুল কিন্তু আপনা আপনি হয়নি বা ফুটেনি এর পিছনে আছে জাকির হোসেনের অন্তর ভরা ভালোবাসা, জাকির হোসেন সঙ্গে কথা হলে তিনি পদ্মফুলের গল্প বলেন যে, ২০১৯ ও ২০২০ সালে দুই বার চারা লাগিয়ে ছিলেন তিনি তবে দুইবারেই ব‍্যর্থ হয়েছিল তিনি তবে আশা ছাড়েননি। ২০২১সালে আবারো আটটি চারা লাগিয়ে ছিলেন এর মধ্যে পাঁচটি গাছ বেঁচে যায়।
গত বছর এই পাঁচটি গাছ থেকে অনেক পাতা হয়েছিল তিন চারটি কলিও এসে ছিলো। আবার এই মিনি পুকুরে দুই প্রজাতির মাছ ছেড়েছিলেন লাইলোটিয়া ও তেলাপিয়া বেশ সখের বসে।
২০২০/২০২১/২০২২ সালে থেকে আমি সাংবাদিক আশিকুর রহমান (লিমন) আমার শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই জাকির হোসেন এর সঙ্গে প্রায় সময় দেখা করতে যেতাম তার এই সখের মিনি পুকুর দেখে আমিও অনেক আনন্দ পেতাম মাঝে মাঝে খাদ্য ফিট দিয়ে লাইলোটিয়া মাছের খেলা দেখতাম আর অনেক আনন্দ অনুভব করতাম। মাছ গুলো প্রায় কেজি মতো হয়েছিল।
শিক্ষক জাকির হোসেন ভাই বলতেন লিমন দেখবি একদিন আমার পদ্মফুল ফুটবে আর এই মিনি পুকুর ফুল দিয়ে ভরে যাবে, আমি বলতাম ইনশাআল্লাহ আপনার আশা আল্লাহ্ পাক পূরণ করবেন। আজ কিন্তু জাকির ভাইয়ের আশা পূরণ হয়েছে দুই শতাধিক এর ব‍েশি ফুল ফোটেছে, রাজারহাট শুধু রাজারহাটের এলাকা বাসি নয়, কুড়িগ্রাম জেলার অনেক থানার জনগণের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে আর হাজারো মানুষের ভিরজমছে পদ্মফুল দেখার জন্য।
আরো একটি মজার বিষয় আছে, মিনি পুকুরে পাশে কয়েকটি সুপারির গাছ আছে এর মধ্যে একটি সুপারির গাছের দুইটি মাথা ও দুটি মাথাতেই সুপারি ধরছে। কপাল যার ফলোন তার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button