
আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে রিকশা শ্রমিকদের মানববন্ধন-সমাবেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক জননেতা সাইফুল হক বলেছেন ভোটের দাম ও সুযোগ না থাকায় রাষ্ট্র-রাজনীতিতে শ্রমজীবী মেহনতীদের দাম ও সম্মান-দুটোই কমে গেছে। দুই দশক আগেও রাজনীতিতে শ্রমজীবী মেহনতীদের যে গুরুত্ব ছিল আজ তা অনেকখানি কমে গেছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলসমূহ তাদের কর্মসূচীতে রিকশা শ্রমিকদেরকে ব্যবহার করে,অথচ তারা তাদেরকে অধিকার দেয়না।রাজনৈতিক দলে লক্ষ লক্ষ রিকশা শ্রমিকদের উন্নয়নের কোন এজেন্ডা নেই।পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনে হিসাবে রিকশা ছাড়া শহর-বন্দর- জনপদ অচল হলেও রিকশা শ্রমিকদের মানবিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কারও মনোযোগ নেই।
তিনি এই দূর্মূল্যের বাজারে রিকশা শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা, উপযুক্ত বাসস্থান, শ্রমিক পরিবারের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা, হয়রানি ছাড়া লাইসেন্স প্রদান এবং শ্রমিকদের অঙ্গহানি ভাতা ও মৃত্যুকালীন অনুদান প্রদান দাবি জানান।
তিনি অধিকার প্রতিষ্ঠায় রিকশা শ্রমিকদের আন্দোলন – সংগঠন জোরদার করারও আহবান জানান।
বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির ডাকে সংগঠনের আহবায়ক কবি মোহাম্মদ জামাল সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন – সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্যসচিব গোলাম রাজিব, শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী, খেতমজুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকবর খান, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতির আহবায়ক মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, বিপ্লবী গারমেন্টস শ্রমিক সংহতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, আবদুল হালিম ভূঁইয়া, মীর রেজাউল আলম, রিকশা শ্রমিক সংহতির জানেআলম,আবদুর রহিম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বহ্নিশিখা জামালী বলেন, আধুনিকায়ন করে পরিবেশবান্ধব রিকশা ও রিকশা শ্রমিকদের বাঁচিয়ে রাখা দরকার।
কবি জামাল সিকদার আগামী জাতীয় বাজেটে রিকশা শ্রমিকদের মানবিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে রিকশা শ্রমিকেরা অবস্থান, অবরোধ ও হরতালের মত বৃহত্তর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে।
মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে রিকশা শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল তোপখানা রোড, বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে সেগুনবাগিচায় এসে শেষ হয়।




