
পতাকা ডেস্ক : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় কর্মরত নন-আসিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের ডেকে সীমান্তে মিয়ানমারের সামরিক তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করে। তবে এই বৈঠকে অংশ নেননি বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।
ঢাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের এই আচরণকে স্বাভাবিক হিসেবে নেয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমারের বিষয়ে চীনের অবস্থানে তারা বিস্মিত নন। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এ বৈঠক হয়।
রাশিয়া ও ভারতের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত না থাকলেও তারা তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। শুধু চীন অনুপস্থিত ছিল। বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মিশর, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ব্রাজিল, সৌদি আরব, জাপানসহ প্রায় সব দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বিশেষজ্ঞরা চীনের অনুপস্থিতিকে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। একইসঙ্গে তারা এই ঘটনাকে মিয়ানমারের প্রতি চীনের সুস্পষ্ট সমর্থন বলে মনে করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, খুব অল্প সময়ের নোটিশে প্রায় সব দেশের মিশন প্রধানদের ডাকা হলেও তারা এসেছিলেন বা তাঁদের প্রতিনিধিদের পাঠিয়েছিলেন। তবে চীনের কোনো প্রতিনিধিকে আমরা পাইনি। চীনের রাষ্ট্রদূত গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন, তবে তিনি চাইলে একজন প্রতিনিধি পাঠাতে পারতেন।




