মার্কিন ফ্রিগেট রুখতে চীনের যুদ্ধবিমান
দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ এলাকার কাছে মার্কিন ফ্রিগেটের চলাচল ঠেকাতে দু’টি যুদ্ধবিমান, একটি হেলিকপ্টার ও একটি গাইডেড পেণাস্ত্রবাহী ফ্রিগেট পাঠিয়েছে বেইজিং।
এর আগে তিন মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস চ্যাফি দণি চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের ১৬ নটিক্যাল মাইলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। মার্কিন ডেস্ট্রয়ারের আচরণকে চীন ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুয়িং। এতে চীনের সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তাস্বার্থ মারাত্মক তিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
হুয়া চুয়িং বলেন, উভয় দেশের অগ্রবর্তী ব্যক্তিদের জীবন এতে হুমকির মুখে পড়েছে। ওয়াশিংটনের কাছে এ বিষয়ে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং। পাশাপাশি চীনের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে।
মার্কিন বিমান হামলায় ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত আইএস সদস্য নিহত
গার্ডিয়ান
মার্কিন বিমান হামলায় আইএসের ব্রিটিশ সদস্য স্যালি জোনস ও তার ১২ বছরের ছেলে নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেলেও ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। জোনস ‘দ্য হোয়াইট উইডো’ নামে পরিচিত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন তিনি। টুইটারে ২০টি অ্যাকাউন্ট ছিল তার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কোনো পোস্ট দেখা যায়নি।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়েছে যে, গত জুনে সিরিয়া-ইরাক সীমান্তে ড্রোন হামলায় জোনস নিহত হয়েছেন। আরো বলা হয়, রাক্কা থেকে মায়াদিনে পালিয়ে গিয়েছিলেন জোনস। সেখানে কর্তৃত্ব হারানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেক আইএস সেনা পালিয়ে গেছে।
পেন্টাগনও তার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত কিছু বলতে পারেনি। পেন্টাগনের মুখপাত্র মেজর আদ্রিয়ান রাংকাইন গ্যালোওয়ে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে আমরা খতিয়ে দেখছি।’
ব্রিটিশ নাগরিক জোনস আগে সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গ্রিনউইচে জন্ম নেয়া জোনস বাস করতেন দণি-পূর্ব লন্ডনে। সেখান থেকে কেন্টে যান তিনি। ২০১৩ সালে সিরিয়ায় যাওয়ার আগে ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি। তার স্বামী জুনাইদ হোসেনও ব্রিটিশ। তিনিও ২০১৫ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান। রয়টার্স




