জাতীয়শিরোনাম

‘মানিক মিয়ার আদর্শ থেকে গণতন্ত্রের শিক্ষা নিতে হবে’

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়ার আদর্শ থেকে গণতন্ত্রের শিক্ষা নিতে হবে। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কলম যুদ্ধ করেছেন। আওয়ামী লীগকে তরান্বিত করতে পর্দার আড়ালে পরিচালক ছিলেন মানিক মিয়া। তার আদর্শ ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে মানিক মিয়ার ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন। ১৪ দলীয় জোটের শরিক রাজনৈতিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গড়বো বাংলাদেশের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড.শাহেদা।
তিনি বলেন, ১৯৫৮ সাল থেকেই মানিক মিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে শুরু করেন। তিনি একজন ব্যক্তি নন তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে মানিক মিয়ার সুস্পর্কের কারণেই ইত্তেফাকের কারণে বাংলাদেশ আজ স্বাধীনতা অর্জন করতে বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। তাদের মৃত্যু হয় না, তারা সবসময়ই অমর।
আগামী সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে ড. শাহেদা বলেন, দেশ ও জাতীয় স্বার্থে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই আবার ক্ষমতায় আসতে হবে। আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তি ক্ষমতায় আসলে দেশে আবার রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞের ঘটনা বাড়বে এবং সব ইতিহাস ছাড়িয়ে যাবে।
জাতীয় পার্টির (জেপি) অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী বলেন, মানিক মিয়ার আদর্শ ধারণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। একজন কলম সৈনিক হিসেবে তিনি গণতন্ত্রের প্রতি মমত্বোবোধ ও ভালোবাসার স্বাক্ষ্য রেখেছেন। তার আদর্শ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। যতদিন দেশ থাকবে, মানুষ থাকবে ততদিন তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি রাজনীতি করেছেন মানুষের জন্য, ইত্তেফাককে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নয়।
দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি এডভোকেট গৌরাঙ্গ চন্দ্র কর বলেন, মানিক মিয়ার লেখনি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের কারণে আমরা একটা জাতীয় পতাকা পেয়েছি, সোনার বাংলাদেশ পেয়েছি।
বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলনের সভাপতি খাজা মহিবুল্লাহ শান্তিপুরি বলেন, আওয়ামী লীগকে তরান্বিত করতে পর্দার আড়ালে পরিচালক ছিলেন মানিক মিয়া।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এডভোকেট শেখ আব্দুল হক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আতাউর রহমান প্রমুখ।

ইত্তেফাক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button