Uncategorized

মানিকগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম খান কামাল এর ৭৯ তম জন্মদিন পালিত

মো.নজরুল ইসলাম : ”মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হারিয়ে যেতে দিবনা” মহান মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তী যুদ্ধকালীন বিএল এফ এর কমান্ডার সাবেক সংসদ সদস্য মফিজুল ইসলাম খান কামালের ৭৯ তম জন্মদিন মানিকগঞ্জের সামাজিক সংগঠন উত্তরণ এর ব্যানারে শহরস্থ স্যাক কার্যালয়ে শুভে”ছা ও সম্মাননা অনুষ্ঠিত হয়। শুভে”ছা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে উত্তরণ সভাপতি বিমল রায়ের সভাপতিত্ত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান অঞ্জনের সঞ্চালনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম খান কামালের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনায় অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আজাহারুল্ধসঢ়; ইসলাম আরজু,বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর উর্মিলা রায়,জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের জেলা সভাপতি প্রফেসর কমরেড আবুল ইসলাম শিকদার,তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ বিদ্যুত বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির জেলা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন কচি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পাটি সিপিবি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড মজিবুর রহমান মাস্টার,স্টাউটার অধ্যাপক সরকার মাসুদ,শিক্ষক সমিতি জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মীর্জা ইস্কাকান্দার,জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা শাখার চেয়ারম্যান শ্রীমতি লক্ষী চ্যাটার্জি, মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বিশ^াস, ট্রেড ইউনিয়ন জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আরশেদ আলী মাস্টার,প্রগতি লেখক সংঘের জেলা সাধারণ সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম, প্রথম আলো বন্ধুসভা জেলা শাখা সভাপতি মাহবুব আলম রাসেল,উত্তরণ সহসভাপতি মো.চান মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
আলোচকরা মহান এই ব্যক্তির জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনায় বলেন- বিয়ের আগে মাত্র ২৯ বছর বয়সে তিনি স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্র জীবনে আয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন করতে গিয়ে কারাবরন করেন, মানিকগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অমুল্য জায়গায় নারী জাগরণের জলন্ত উদাহারন হিসেবে তিনি গড়ে তোলেন মহিলা কলেজ পরবর্তীতে মানিকগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে। সরকারি হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি একইি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন ১৪ বছর। মানিকগঞ্জ অঞ্চলের যুদ্ধকালীন কমান্ড কাউন্সিলের অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি মনে প্রাণে ধ্যানে জ্ঞানে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতন গণতন্ত্র,সমাজতন্ত্র ধর্মনিরপেক্ষতা ও
জাতীয়তাবাদ সত্যিকারের অর্থে তথা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ধারা শোষনমুক্ত ন্যায্যতার সোনার বাংলা গড়ার একজন একনিষ্ঠ সৈনিক। তিনি এখনো স্বাপ্ন দেখেন শোষন ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার তাইতো তিনি জীবনের এই প্রান্তে এসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রায় এক কোট টাকা ব্যায়ে নির্মান করতে যা”েছ মুক্তিযুদ্ধের চার মুলনীতি কেন্দ্রীক বঙ্গবন্ধুসৌধ বা বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button