শিক্ষা

মানববন্ধনের একঘন্টা পরেই বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ

বেরোবি সংবাদাতা: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগের দাবিতে বুধবার বেলা ১২ টায় মানববন্ধন করে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের এক ঘন্টা পর বিভাগীয় প্রধান হিসেবে ওই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহীনুর রহমানকে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিভাগীয় প্রধানের পদ শুন্য হওয়ার ৩ দিন অতিক্রম করলেও কাউকে নিয়োগ না দেয়ায় বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিভাগটির চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহ মাসুমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বিভাগটিতে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দিয়ে বিভাগের কাজে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
এর প্রায় এক ঘন্টা পর বেলা ১ টার দিকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে শাহীনুর রহমানের নিয়োগ পত্রটি ওই বিভাগে পাঠায় রেজিস্ট্রার দপ্তর। যেখানে ২২ অক্টোবর থেকে আগামী ৩ বছরের জন্য এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ২৮(২) ও (৩) অনুসারে এই নিয়োগ দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইবরাহীম কবীর স্বাক্ষরিত নিয়োগ পত্রে ২২ অক্টোবর থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগের বিষয়টি অফিস আদেশের মাধ্যমে বুধবার (২৫ অক্টোবর) জানানো হয়।
জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর বিভাগীয় প্রধানের মেয়াদকাল শেষ হওয়ায় ওই পদ থেকে বিদায় নেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ। এরপর ২৫ অক্টোবর সকাল ১১ টা পর্যন্ত বিভাটির বিভাগীয় প্রধানের পদটি শুন্য ছিল। এতে ওই বিভাগে স্থবিরতা দেখা দেয় বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এআইএস বিভাগে সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান শাহীনুর রহমান বলেন,‘ কি কারণে ৩ দিন পর আমাকে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হল তা জানা নেই।’
নিয়োগের বিষয়টি ৩ দিন পর জানানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইবরাহীম কবীর বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী যেদিন থেকে পদটি খালি হয় সেদিন থেকেই নিয়োগ কার্যকর হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গতকাল মঙ্গলবার তাকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে অনুমোদন দিয়েছেন। সেই চিঠি আজ বুধবার রেজিস্ট্রার দপ্তরে আসে। এরপর আমরা তা ওই বিভাগে পাঠিয়ে দিয়েছি। ’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button