
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: আজকের বাংলাদেশ একে একে ৫৪ বছর পার করেছে কিন্তু আজও মানসম্মত শিক্ষা, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, মানসম্মত বাসস্থান কিছুই পাইনি। আগামীতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। সেটা কেমন বাংলাদেশ? আগামীর বাংলাদেশকে বদলাতে হবে। মানে মানচিত্র বদলাবে না। খাচলত বদলাবে। আমরা ওই বাংলাদেশ চাই না যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে জেলে যেতে হয়, নির্যাতনের শিকার হতে হয়, গুমের শিকার হতে হয়, আয়না ঘরে যেতে হয়। যেখানে আলেম ওলামাদের নাজেহাল হতে হয়। বিচারক বেচা-কেনা হয়। সেই বাংলাদেশ আমরা চাই না যে বাংলাদেশ ৫৪ বছর পরেও বিশ্বের দরবারে শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়াতে পারে না। আমরা পরিবার তন্ত্রের দেশ চাই না। গোষ্ঠীগত দেশ চাই না।
আমরা সেই বাংলাদেশ চাই,গরীবের ঘরে জন্ম নিয়েও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে পৌঁছতে পারবে। সংখ্যালঘু ভাইদের নিরাপত্তা থাকবে। সকল কর্মকর্তা জনগণের সেবা করবে। কাউকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি হতে হবে না। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ। আগামী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ। আগামী ১২ তারিখের ভোট বিগত ১২টা ভোটের মতো হবে না। ভোট দিয়ে কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। আকাশ থেকে সিল আসতে পারে, কেন্দ্র দখল হতে পারে। সেজন্য ভোট পাহারা দিতে হবে। কেউ যদি ভোটের দিকে হাত বাড়ায় তাহলে তার ডানা খুলে ফেলতে হবে।
শুক্রবার (০৬.০২.২৬) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী ১১ দলীয় প্রার্থী প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্যার সমর্থনে এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। অতীতে যারা সরকারে ছিল তারা কি দিয়েছে কি দেয়নি তা ১৮ কোটি মানুষ জানে। আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার চাই, ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে গড়তে চাই। সে জন্য একজন দক্ষ, সৎ, শিক্ষিত জননেতাকে মনোনয়ন দিয়েছি। এ কথা বলে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্যাকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাঁর হাতে নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।
ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) আসনের পরিচালক আবু হারিছ মোল্যার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর মাও. বদরুদ্দীন, প্রার্থী প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্যা, কৃষিবীদ শেখ মাসুদ, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহসচিব মুফতি শাারাফাত হোসাইন প্রমুখ।



