বড় নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি:অব্যাহত বর্ষণে বন্যার আশঙ্কা

সব বড় নদীতে পানি বাড়ছে। বর্ষণ অব্যাহত থাকলে শুরু হতে পারে বন্যা। সীমান্তের ওপারের পানির সাথে গত কয়েকদিনের অভ্যন্তরীণ বৃষ্টির পানি যোগ হওয়ায় দ্রুতই বাড়ছে নদীর পানি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা, সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে এবং আরো কমপক্ষে তিনদিন বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির পানির চেয়ে ভারত থেকে আসা পানির প্রবাহ বেশি। মওসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় বাংলাদেশসহ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বর্ষণের ফলে সেখানকার নদীগুলো উপচে পড়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতিবেশী দেশের তৈরি নানা ধরনের বাঁধের স্লুইস গেট খুলে দেয়ায় ওপার থেকে প্রবল বেগে পানি আসছে। পুরো বর্ষা মওসুম এরকমই চলতে পারে।
এ মুহূর্তে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ও জারিয়া জাঞ্জাইলে কংস নদী ছাড়া অন্য কোনো নদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে না। তবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে শিগগিরই আরো কিছু নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র নদ, যমুনা ও সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। পদ্মা নদীর পানি সমতল আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুরে ৯৫ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ৬৫ মিলিমিটার, টেকনাফে ৮০ মিলিমিটার, কুড়িগ্রামে ৬২.৫ মিলিমিটার, লুরেরগড়ে ৭৫ মিলিমিটার, বরগুনায় ৬০ মিলিমিটার, পঞ্চগড়ে ৬৮.৫ মিলিমিটার, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৮.৩ মিলিমিটার, নোয়াখালীতে ৬৭.৪ মিলিমিটার, চিলমারীতে ৫২ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ৬৭ মিলিমিটার, ডালিয়াতে ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।




