বেসামরিক লোকজন মারছে যুক্তরাষ্ট্র : নেতাদের মারছে ইসরাইল

মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরাকের আনবার প্রদেশে হেলিকপ্টার থেকে কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং এতে অন্তত সাতজন নিহত ও ১১ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আল-বাগদাদি শহরের পুলিশ প্রধানও রয়েছেন।
আনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদি থেকে পশ্চিমে এই হামলা হয় বলে স্থানীয় গণমাধ্যম শনিবার সকালে জানিয়েছে।
ইরাকের আস-সুমারিয়া টেলিভিশন বলেছে, মার্কিন হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তবে মার্কিন সেনারা কেন এই হামলা চালিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয় নি।
ইরাকে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে কথিত লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন সেনাদের হামলায় দায়েশ সন্ত্রাসীদের তেমন কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও বহুবার ইরাক ও সিরিয়ায় বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
অন্যদিকে লেবাননে হামাস নেতা আবু হামজা হামদানকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে ইসরাইল জড়িত বলে ঘোষণা করেছে সেদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস নেতাকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তি বলেছেন, ইসরাইল হামলা চালাতে তাকে বাধ্য করেছে। তার বাসভবন থেকে গোয়েন্দা সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সব সরঞ্জাম ব্যবহার করে ওই ব্যক্তি ইসরাইলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতো বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে।
গত ১৪ জানুয়ারি দক্ষিণ লেবাননের সিডন শহরের বুস্তান আল-কাবির এলাকায় হামদানকে গাড়িবোমা হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। হত্যাচেষ্টা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও তিনি আহত হন।
হামাস নেতাদের এ ধরনের হামলার শিকার হওয়ার ঘটনা এই প্রথম নয় বরং ইসরাইল সংগঠনটির বহু নেতাকে গোপনে হত্যা করেছে। গত বছরের মার্চ মাসে ইসরাইল হামাস নেতা মাজেন ফুকাহাকে হত্যা করেছিল।




