বাঘাইছড়িতে বাড়তি ক্ষতিপূরণের আশায় রাতারাতি গড়ে উঠছে শতাধিক স্থাপনা ও নলকূপ

ওমর ফারুক সুমন : জমি অধিগ্রহণের সংবাদে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে মারিশ্যা ও মাইনি সড়কের দুই পাশে রাতারাতি গড়ে উঠেছে শতাধিক দোকান ঘর ও অসংখ্য নলকূপ বিষয়টি ঘিরে এলাকায় কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখাযায় বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের আর্যপূর মোড় থেকে শুরু করে সিজুগ বটতলা সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে এসব বড় বড় স্থাপনা। সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অর্ধশত বড় বড় ঘর , দোকান, আধাপাকা স্থাপনা ও নলকূপ বসানোর কাজ চলছে হরদম। স্থানীয় দের দাবী জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় বাড়তি টাকা পাওয়ার আশায় তারা রাতারাতি এসব স্থাপনা তৈরি করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান জমি অধিগ্রহণ পূর্বে গোপনে ভিডিও করে জরিপ করার নিয়ম রয়েছে কেও রাতারাতি স্থাপনা তৈরি করে থাকলে তা অবৈধ বলেই ধরে নেয়া হবে।
এরইমধ্যে উপজেলা সদরের মারিশ্যা- মাইনী সড়কের ১৩ কিলোমিটার পথ এসবিপি করণ শেষ করছে এলজিইডি বিভাগ। সড়কের বাকি অংশে নতুন করে কার্পেটিং ও প্রসস্থ করা হবে এমন সংবাদে রাতারাতি এসব স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে জানান উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, যারা রাতারাতি এসব স্থাপনা তৈরি করছে তারা ভূল করেছেন, অতিরিক্ত কোন ক্ষতিপূন দেয়ার সুযোগ নেই। উপজেলা আওয়ামীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন বলেন রাতারাতি স্থাপনা তৈরির বিষয়টি এখনি স্থানীয় প্রশাসন নজড় না দিলে সরকারের মোটা অংকের টাকা গচ্ছা যাবে




