বাঘাইছড়িতে পাহাড়ী বাঙালীর দীর্ঘদিনে সীমানা বিরোধ মিটিয়ে প্রশংসিত রুমান্টু চাকমা

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি : রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়ন ও লংগদু উপজেলার সীমান্তবর্তী কালাপাকুইজ্জ্যা এলাকায় পাহাড়ি বাঙালী শতাধিক পরিবারের জমি নিয়ে সীমানা জটিলতা দুর করে উভয় সম্প্রদায়ের বিরোধ মিটিয়ে প্রসংসায় ভাসছেন খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক মেম্বার রুমান্টু চাকমা। ১২ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা ১১ ঘটিকায় স্থানীয় প্রশাসন ও লংগদু জোনের সেনাবাহিনীর সহায়তায় দীর্ঘদিনের অমিমাংসিত ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নেয় রুমান্টু চাকমা। তার উদ্যোগের ফলেই সকলের সহযোগীতায় পাহাড়ি ও বাঙ্গালী সীমানার মধ্যে একটি বাঁধ কেটে নালা তৈরি করে পানি সরানোর কাজ শুরু করা হয় ফলে পানি সরে গিয়ে শত শত একর জমি চাষাবাদের উপযোগী হয়ে উঠে। সাবেক মেম্বার রুমান্টু চাকমা বলেন এই বিষয়টি নিয়ে বহু বছর ধরে পাহাড়ি বাঙালী সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলছিলো ফলে বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ও খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও লংগদু উপজেলার কালাপাকুইজ্জা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগন বহুবার মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয়। ফলে কিছু ভুক্তভোগী পরিবার স্থানীয় যুবক সাবেক মেম্বার রুমান্টু চাকমার শরণাপন্ন হয়। পরে রুমান্টু চাকমা স্থানীয়দের দাবীর কথা লংগদু জোনের স্থানীয় ক্যাম্পের সাথে যোগাযোগ করে জোনের উপঅধিনায়ক মেজর রিয়াজ ও মেজর আসিফ এর উপস্থিতিতে দ্রুত্ব সমাধান করা হয়। এতে উত্তর পাবলাখালী, দক্ষিণ পাবলা খালী, মান্যারাম পাড়া, গুল্যাপাড়া এবং ইসলামাবাদ এলাকার ১০০০ পরিবারে শত শত একর জমি চাষাবাদ উপযোগী হয়ে উঠে। বিরোধ মিটিয়ে পাহাড়ি ও বাঙ্গালী সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখায় সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছেন মেম্বার রুমান্টু চাকমা।




