
করোনা পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর প্রচার কার্যক্রমে ভিন্নমাত্রা যোগ হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যে সমস্ত কর্মসূচি আমরা গ্রহণ করেছিলাম তার অনেকগুলোই করোনাভাইরাসের কারণে বছরের প্রায় সাত মাস স্থগিত ছিল। সুতরাং বাকি সময়টুকুর মধ্যে দেশ ও বিশ্ব প্রেক্ষাপটে আমরা বাস্তবসম্মতভাবে কী কী করতে পারি সেটি বিশদ পর্যালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন উপকমিটির সভায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্ব মহামারী পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যেসব অনুষ্ঠান জনসমাগম না করেও করা যায় এবং অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব, সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যেমন– আমরা অনেকগুলো প্রামাণ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা করেছিলাম। সেগুলোর নির্মাণকাজ অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাকি সময়ের মধ্যে আমরা সেগুলো কীভাবে সম্পন্ন করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে মুজিব শতবর্ষে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে গাছের চারা রোপণ করেন তথ্যমন্ত্রী।
পরে তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ এখন সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, মানুষ এখন হাটবাজারে গিয়ে সাধারণ পণ্য কেনার পাশাপাশি ২-৩টি গাছের চারা কিনে নিয়ে আসে। একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছ লাগানোর যে স্লোগান সেটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া স্লোগান। সামাজিক বনায়নের ফলে বৃক্ষাচ্ছাদিত অঞ্চলের পরিমাণ গত ১১ বছরে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে বাংলাদেশ কৃষক লীগের মাধ্যমে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও বেশি ত্বরান্বিত করতে সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।
এ সময় সংসদ চত্বরে গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়ার জন্য স্পিকারকে ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী, আবদুল মমিন মণ্ডল, গাজী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ এমপি এবং লুৎফুন নেসা খান উপস্থিত ছিলেন।




