বগুড়ায় করোনা পজিটিভ শুনেই পালাল পোশাক শ্রমিক

বগুড়ায় আইসোলেশনে নেওয়ার আগেই মুঠোফোন বন্ধ করে পালিয়েছেন করোনা পজিটিভ হওয়া নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক পোশাক শ্রমিক।
করোনায় আক্রান্ত নিশ্চিত হওয়ার পর প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজলেও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত তার কোনো হদিস মেলেনি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। তার দেওয়া ঠিকানায় গিয়েও দেখা মেলেনি। ওই তরুণ পালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাড়িতে গেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, গত সোমবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবরেটরিতে দুই শিফটে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বগুড়ার দুজন এবং জয়পুরহাটের ১৫ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়া বগুড়ার দুজনের মধ্যে একজন শহরের একটি ফ্যাশন হাউজের বিক্রয়কর্মী (২৭)। তার বাড়ি ঢাকার কেরানীগঞ্জে। বগুড়ায় থাকতেন শহরের রহমাননগর কাজীখানা লেনের একটি ছাত্রাবাসে। ৯ মে তিনি ঢাকা থেকে ফেরত আসার পর মেসের অন্য ছেলেরা নমুনা পরীক্ষার আগে তাঁকে মেসে ঢুকতে না দিলে তিনি অন্য একটি মেসে গিয়ে ওঠেন। এরপর ওই দিনই নমুনা দেন। ১১ মে তার নমুনা করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এরপর তিনি ফোন বন্ধ করে আত্মগোপন করেন।
বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা সামির হোসেন মিশু বলেন, করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর রানা প্লাজার ওই দোকান কর্মচারী লাপাত্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মসজিদে মাইকিং করে তার সন্ধান চেয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছে। করোনা পজিটিভ হওয়া অন্যজন নারায়ণগঞ্জ ফেরত পোশাক শ্রমিক। বাড়ি সদর উপজেলায়।




