বিবিধশিরোনাম

প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ং’র দুধ-ঘিতে মাত্রাতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক

প্রাণ, মিল্কভিটা, আড়ংসহ’সহ বাজারে বিক্রি হওয়া পাস্তুরিত ৭টি দুধই মানহীন। এগুলোর কোনোটিতে মিলেছে মাত্রাতিরিক্ত কলিফর্মের উপস্থিতি, আবার কোনোটিতে মিলেছে এন্টিবায়োটিক। এমন ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের নমুনা পরীক্ষায়।
মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে খাদ্যের গুনগত মান পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফার্মেসি বিভাগ।
এতে বলা হয়, প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত দুধের ৭ টি নমুনার কোনোটিতেই কাঙ্খিতমাত্রার ‘সলিড নট ফ্যাট’ পাওয়া যায়নি। এই ৭টি নমুনায় ছিল: মিল্ক ভিটা-আড়ং-প্রাণ।
১১টি ফ্রুট ড্রিংকসের নমুনা পরীক্ষা করে সবগুলোতে নিষিদ্ধ ক্ষতিকর সাইক্লামেট পাওয়া গেছে বলে ফার্মেসি বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এগুলো হলো, স্টার শিপ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংকস, সেজান ম্যাংগো ড্রিংক, প্রাণ ফ্রুটো, অরেনজি, প্রাণ জুনিয়র ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংক, রিটল ফ্রুটিকা, সান ড্রপ, চাবা রেড এপল, সানভাইটাল নেক্টার ডি ম্যাংগো, লোটে সুইটেন্ডএপল, ট্রপিকানা টুইস্টার।
এছাড়াও আড়ং, বাঘাবাড়ি, প্রাণ, মিল্ক ভিটা, মিল্কম্যান, সুমির ও টিনে বিক্রি হওয়া দুধ ও ঘিয়ের মান উত্তরণে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
এছাড়া রূপচাঁদা, পুষ্টি, সুরেশ, ড্যানিশ, ও বসুধা সরিষা তেলসহ বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ভোজ্যতেলেও মানহীনতার চিত্র উঠে আসে প্রতিবেদনে।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক আ.ব.ম.ফারুক বলেন, প্রাণ, মিল্কভিটা, আড়ংসহ পাস্তরিত দুধের সাতটি নমুনার কোনোটিতেই কাঙিক্ষত মাত্রার ‘সলিড নট ফ্যাট’ পাওয়া যায়নি। এই সাতটি নমুনায় ছিল: মিল্ক ভিটা-আড়ং- প্রাণ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button