পাঁচবিবিতে ভ্যান চুরি হয়ে দিশেহারা পরিবারকে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতার ভ্যান,খাবার ও নগদ টাকা প্রদান
জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে দরিদ্র পরিবারের ভ্যান চুরি হয়ে গেলে প্রতিবেশী এক ব্যাক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট দেওয়ার পর ঐ অসহায় পরিবারকে ১টি ভ্যান, খাবাব ও নগদ অর্থ প্রদান করেন পাঁচবিবি পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোসাঈদ আল আমিন সাদ। রোববার বিকেলে পাঁচবিবি উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের তমিজ উদ্দিনের পুত্র মমিনুল ইসলাম রাঁঙ্গার পরিবারকে এসব দেন তিনি।
জানাযায়, মমিনুল গত ১৬ই ফেব্রয়ারী ধরঞ্জী বাজারে তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনের বাহন ভ্যানটি রেখে বাজার করছিলেন এমন সময় কে বা কারা তার ভ্যনটি চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া ভ্যানটির আয়ের উপর নির্ভর তার পরিবার ও মমিনুলের মৃত বোনের দেড় বছর বয়সী ভাগ্নীর প্রতিদিনের দুধের টাকা । কিন্তুু ভ্যানটি চুরি হওয়ায় নতুন ভ্যান কেনার সামর্থ্য না থাকায় তার পরিবার ও ভাগ্নীর ভরণ পোষণে দিশেহারা হয়ে পড়েন।
বিষয়টি জানতে পেরে গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি একই উপজেলার রতনপুর গ্রামের মিজানুর রহমান সরকার নামের এক ব্যক্তি নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি মানবিক পোষ্ট করেন।
মিজানুরের মানবিক পোষ্টটি নজরে আসে পাঁচবিবি পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাঈন আল আমিন সাদের এর পর মানবিককতার টানে নিজ অর্থায়নে স্বাধীনতার সূর্বণজয়ন্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নিজে উপস্থিত থেকে দরিদ্র ও অসহায় এ পরিবারটির হাতে ১টি ভ্যান, ২৫ কেজি চাল ও নগদ টাকা তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধরঞ্জী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আফতাব হোসেন মুন্সি, ফেসবুকে পোষ্টকারী মিজানুর রহমান সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা ওয়াহেদুল ইসলাম খোকনসহ অনেকেই।
নতুন ভ্যান পেয়ে মমিনুল ইসলাম রাঙ্গা জানায়, আমি খুব খুশি। আল্লাহ যেন ওনার ভাল করে। ভ্যানটি হারিয়ে আমার পরিবার মানবেতর জীবন জাপন করছিলেন। এতিম শিশুর খাবার জোগার করতে দিশেহারা হয়েছিলাম। আল্লাহ ওনার মধ্যমে আমাদের পরিবারের রেজেক দিয়েছেন।
ফেসবুকে পোষ্টকারী মিজানুর রহমান বলেন, আমার ফেসবুক পোষ্টের মাধ্যমে একটি পরিবারের উপকার করতে পেরেছি এজন্য সাদ ভাই কে ধন্যবাদ।
পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোসাঈদ আল আমিন সাদ বলেন, ফেসবুকে পোষ্টটি দেখার পর থেকে এই অসহায় দরিদ্র পরিবারের জন্য কিছু করব, এই ভাবনা থেকেই স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীতে পরিবারটির হাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এই সামান্য উপহার দিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করেছি।




