slider

নিয়ামতপুরে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ, কমিটির অনুমিতক্রমেই গাছ কাটা হয়েছে

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ বিদ্যালয়ের সামনে ব্যক্তি মালিকানার জায়গা থাকায় ছাত্র/ছাত্রীদের খুব অসুবিধা হয়। তাছাড়া মাঠটাও বেমানান দেখা যায়। তাই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি, গ্রামবাসী, শিক্ষকবৃন্দরা বিদ্যালয়ের সামনের ব্যক্তি মালিকানার জায়গাটি ক্রয় করা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে একটি গাছ সবার অনুমতিক্রমেই কাটা হয়েছে। তাছাড়া যেখানে গাছটি রয়েছে সেখানে একটি শহীদ মিনার নির্মানেরও পরিকল্পনা রয়েছে সবার। কারো ব্যক্তি স্বার্থে গাছ কাটা হয়নি। এমনটাই বলছিলেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের আশনদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাইনুল হক।
মাইনুল হক বলেন, একটি কুচক্রি মহল গাছ কাটার বিষয়টিকে নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছেন। গাছটি প্রায় ১৭ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রয় করেছি। বিদ্যালয়ের সামনেই কিছু জায়গা ব্যক্তি মালিকানার। তারা বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। ফলে কমলমতি ছাত্র/ছাত্রীদের খেলাধুলা করা খুব অসুবিধা হচ্ছে, তাছাড়া দেখতেও বেমানান লাগছে। তাই জায়গটি ক্রয় করার জন্য কিছু টাকার প্রয়োজন। পাশাপাশি শহীদ মিনার করার জন্যও জায়গাটি প্রয়োজন। তাই কমিটির অনুমতি নিয়ে রেজুলেশন করে গাছটি বিক্রয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস কিংবা উপজেলা শিক্ষা কমিটির কোন অনুমোদন গ্রহন করা হয়েছে কি না? প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক বলেন, মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে লিখিত কোন অনুমোদন নেওয়া হয়নি। কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধান শিক্ষক জানান, কমিটি অনুমোদিত। উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সবারই স্বাক্ষর রয়েছে কমিটিতে। বৈধ কমিটিই সিদ্ধান্ত নিয়েছে গাছ কাটার।
অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদরুদ্দোজা মন্ডল বলেন, আমাদের স্কুলের উন্নয়নের স্বার্থে গ্রামবাসী ও কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক গাছটি কাটা হয়েছে। গাছ বিক্রির টাকা আমরা স্কুলের সামনের একটু ব্যক্তি মালিকারনার জমি ক্রয়ের কাজে লাগাবো। একটি মহল এটিকে অতিরঞ্জিত করে মিথ্যে সংবাদ প্রচার করায়।
অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মোশারফ হোসেন বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে কোন শহীদ মিনার নাই। তাই শহীদ মিনার নির্মানের জন্য পছন্দমত জায়গাটিতেই গাছটি ছিলো। তাই সবাই মিলে মিটিং করে রেজুলেশন করে গাছটি কাটা হয়েছে। কারো একক সিদ্ধান্তে গাছটি কাটা হয়নি।
এলাকার বাসীর দাবী গাছটি কেটে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোন অন্যায় করেনি। স্কুলের প্রয়োজনেই গাছ কেটেছে। আমাদের কোন অভিযোগ নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শহিদুল আলম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। বিদ্যালয় কমিটি আমার কাছ থেকে লিখিত কোন অনুমোদন নেয়নি। পরিচালনা কমিটি সম্পূর্ণ বৈধ। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button