
পতাকা ডেস্ক: মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকালে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। শোভাযাত্রা শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ফুলেল শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
সকাল ১০ টায় বিজয় নগরস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।
শোভাযাত্রার উদ্বোধনকালে তিনি বলেন স্বাধীনতা বাংলাদেশের জনগণের এক অবিস্মরণীয় অর্জন। আমাদের মত লড়াই-সংগ্রাম ও অসীম ত্যাগ স্বীকার করে স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস বিরল। যে সকল দেশ আমাদের সমসাময়িক সময়ে স্বাধীন হয়েছে তারা আমাদের চাইতে অনেক বেশী সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু আমরা এখনও গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকারের জন্য সংগ্রাম করছি। গুম খুনের আতংকে বিরোধী দল ও মতের লোকেরা আজও ভীত সন্ত্রস্থ। তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এর প্রতি সরকারী দলের নেতা ও মন্ত্রীদের অকূটনৈতিক মনোভাবের তীব্র সমলোচনা করে বলেন সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণ থেকে আজকে বন্ধু রাষ্ট্রের কূটনীতিকরাও রেহাই পাচ্ছেনা। বুয়েট ছাত্র ফারদিন হত্যাকাণ্ড কে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার প্রবনতাকে সরকারের ঘৃণ্য পৈশাচিক আচরণ উল্লেখ করে জনাব তাজুল এসব অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান।
বিজয় দিবসের শোভাযাত্রা পল্টন, নাইটেঙ্গেল, কাকরাইল ও বিজয় নগর ঘুরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ অভিমুখে রওয়ানা দেয়। সেখানে পৌঁছে শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীয্যপূর্ণ পরিবেশে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানানোর পর উপস্থিত নাগরিক ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মন্জু।

জনাব মন্জু বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ছিল বৈষম্য ও শোষনের বিরুদ্ধে বীর সন্তানদের জীবন বিলিয়ে দেয়া মুক্তি অর্জনের স্বপ্নযুদ্ধ। ১৬ ডিসেম্বর যে বিজয় অর্জিত হয়েছে তার অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি আমাদের জাতীয় নেতৃবৃন্দ। ৭০ এর নির্বাচনের সূত্র ধরে দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু এখন নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে বিপন্ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন সেক্যুলার, রাজাকার ও স্বৈরাচার ক্ষমতার জন্য এক টেবিলে বসতে পারে কিন্তু দেশের জন্য তারা এক হতে পারেনা। বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্য ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে তিনি অভিমত ব্যাক্ত করেন।
ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, পার্টির সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এম ইলিয়াস আলী, দলের সহকারী সদস্য সচিব আনোয়ার ফারুক, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব ফিরোজ কবীর, সহকারী প্রচার সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন শরিফ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গাজী নাসির, শাহজাহান ব্যাপারী, আব্দুল হালিম খোকন, সেলিম খান, সফিউল বাসার, আমিরুল ইসলাম নুর, আব্দুল হালিম নান্নু, আল আমিন প্রিন্স, যুবনেতা তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, সাইফুল মির্জা, শেখ লুৎফর রহমান, নারী নেত্রী আমেনা বেগম, ফেরদৌস আক্তার অপি, রুনা হোসেন, তাহমিনা আক্তার, মহানগর উত্তরের আব্দুর রব জামিল, দক্ষিণের ইদ্রিস আলী, আব্দুল কাদের, রনি মোল্লা সহ মহানগর উত্তর, দক্ষিণ ও যুবপার্টির বিভিন্ন পার্যায়ের নেতৃবৃন্দ।



