
পতাকা ডেস্ক: নারীর ক্ষমতায়নের স্বার্থেই সংসদে সংরক্ষিত আসন থাকা জরুরী।রাজনৈতিক দলকে বাধ্য করে হাত পা বেঁধে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
আজ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন
আমার বাংলাদেশ এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
এবি পার্টির প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক, সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদক ড.বেলাল হোসেন, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সহ সম্পাদক শাহিনুর আক্তার শিলা, নারী নেত্রী রাশিদা আক্তার মিতু ও যুব নেত্রী ইশরাত জাহান।
তিনি আরো বলেন, নারী আসন ও উচ্চকক্ষ গঠন বিষয়ে আজও আলোচনা হয়েছে। তবে পদ্ধতিগত জায়গায় এখনো এক জায়গায় আসা যায়নি । গত কয়েকদিনের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব আজ আনা হয় নারী আসনের বিষয়ে। যারা ২৫ আসনের বেশি আসনে ভোট করবে, তারা ন্যুনতম এক-তৃতীয়াংশ আসনে নারী মনোনয়ন দেবে। তবে এবি পার্টি মনে করে বাংলাদেশের বাস্তবতায় এ অবস্থায় এখনো আসেনি। কারন আপনারা এর আগে ১/১১ এর সময়ে তখনকার নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোকে ৩৩% নারী সদস্য রাখার বিধান করেছিলো কিন্তু আজ ২০ বছর পরেও কোন রাজনৈতিক দল সেই শর্তগুলো পূরণ করতে পারে নাই। তাই আমরা মনে করছি এখনো কমিশনের এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।
অপর নেতা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক বলেন,তৃণমূলের রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সংরক্ষিত আসনের সংস্কার আনতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোকে নূন্যতম ৫ শতাংশ আসনে নারী প্রার্থী মনোনীত করা যেতে পারে বলে আমরা মত দিয়েছি, তবে নারীর রাজনীতিতে ব্যাপক অংশগ্রহণ সাপেক্ষে এটি বাড়ানো যেতে পারে। আমাদের দেশের বাস্তবতায় নারীর ক্ষমতায়নের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও আরো উদার হতে হবে।
কী পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ তৈরি হবে, সেটা নিয়েও একমত হওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, কী প্রক্রিয়ায় মধ্য দিয়ে সেটা হবে, তা নিয়ে দুটি মত আসছে। একটা হলো, নিম্নকক্ষের আসনের ভিত্তিতে। আর কমিশনের প্রস্তাব হলো, ভোটের অনুপাতের ভিত্তিতে। এখানে অধিকাংশ দলের সমর্থন থাকলেও সবাই একমত হয়নি।
উচ্চকক্ষের নির্বাচন পদ্ধতি ও ক্ষমতার এখতিয়ারে একমত জরুরী।
ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু, সেটা পুনর্মূল্যায়ন জরুরী বলে এবি পার্টি মনে করছে।




