খেলা

নাটকীয় ম্যাচে পর্তুগালের বাজিমাত

এক কথায় মেক্সিকোর দুর্ভাগ্য। যদিও মেক্সিকোর ভাগ্য রচনা করেছিল পর্তুগালই। কিন্তু শেষ বেলায় ঘুরে দাঁড়ালো। না হলে এই আফসোস হয়তো অনেক রাত ঘুমোতে দিত না নোভো নেতোকে। ৯০ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও হেরে শেষ করতে হল মেক্সিকোকে। কনফেডারেশন্স কাপের তৃতীয় ও চতুর্থ পজিশনের ম্যাচে রবিবার মুখোমুখি হয়েছিল পর্তুগাল ও মেক্সিকো। যদিও এ দিন পর্তুগাল দলে ছিলেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এ দিন দলের জয়ের অংশীদার হতে পারলেন না তিনি।
এদিন ৪-৫-১ ছকে দল নামিয়েছিল পর্তুগাল কোচ। যে কারণে প্রথম থেকে আক্রমণে ধার ছিল না ইউরো চ্যাম্পিয়নদের। উল্টোদিকে প্রথম থেকেই আক্রমণে গতি বাড়িয়েছিল মেক্সিকো। ৪-৩-৩ এ শুরু থেকেই পর্তুগাল রক্ষণ ভেদ করে ঢুকে পড়ছিল মেক্সিকোর আক্রমণ। যদিও পর্তুগাল রক্ষণ ভাঙতে মেক্সিকোর লেগে গেল ৫৪ মিনিট। কিন্তু গোলে রাখতে পারল এমনটা নয়। ছ’গজ বক্সের মধ্যে ক্রস রেখেছিলেন হার্নান্ডেজ। গোলকিপার প্যাট্রিসিও তা কোনওভাবে ক্লিয়ার করে দেন। সেই বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই বল জড়ান নেতো। সেম সাইড গোলে পিছিয়ে পরে পর্তুগাল।
নাটকের শুরু অবশ্য আরও আগেই হয়ে গিয়েছিল। যখন ১৬ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে গিয়েছিল পর্তুগাল। কিন্তু আন্দ্রে সিলভার শট বাঁচিয়ে দেন ওচোয়া। ফিরতি বলে নানির গোলমুখি শট পোস্টের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। এর পর বেশ কিছু সেভ করেন ওচোয়া। কিন্তু পর্তুগালকে জোড়া ভুলের খেসারত দিতে হয়নি। যদিও ৯০ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে তৃতীয় হয়েই কনফেডারেশন্স কাপ শেষ করল পর্তুগাল।

৯১ মিনিটে বার্নার্দোর ক্রস থেকে লিমা ফেরেরার গোলে সমতায় ফেরে পর্তুগাল। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। যেখানে বাজিমাত রোনালদোহীন পর্তুগালের। ১০৩ মিনিটে আবার পেনাল্টি পেয়ে যায় পর্তুগাল। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি আদ্রিয়ান সিলভা। এগিয়ে যায় পর্তুগাল। এই ম্যাচ শেষ হয় জোড়া লাল কার্ডে। জোড়া হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কাব্রাল সেমেদো ও জিমেনেজ রডরিগেজ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button