
পতাকা ডেস্ক: আজ মহাসপ্তমী, এই দিনে দেবীর মহিষাসুরমর্দিনী রূপের পূজা হয় এবং এটিকেই পূজার মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে দেবী দুর্গার প্রাণ প্রতিষ্ঠা ঘটে। দুর্গাপূজার এই বিশেষ দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন আমার বাংলাদেশ পার্টি ( এবি পার্টি)র চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তাকে স্বাগত জানান পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র পাল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস বিশ্বাস সাধন ও পুজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী সহ উদযাপন কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের উর্ধ্বে উঠে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। নানা ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টার পরও আমাদের সম্প্রীতির শেকড় কখনো উপড়ে ফেলা যায়নি। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম, আর সব জাতীয় ইভেন্টে আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছি, একতাবদ্ধ হয়েছি। বারবার প্রমাণ হয়েছে—বাংলাদেশের শক্তি হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ।
কোনো ধর্মই বিভেদ শেখায় না। ধর্ম আমাদের শেখায় ভালোবাসা, সহানুভূতি আর সহমর্মিতা। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই একই পরিবার—বাংলাদেশ পরিবার।
তিনি আরো বলেন,আজকের এই শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের সম্প্রীতিরই আরেক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আমরা চাই, পূজার আনন্দ যেন নির্বিঘ্নে, নির্ভয়ে, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রতিটি পূজা মণ্ডপকে আনন্দ ও শান্তির কেন্দ্রস্থলে রূপান্তরিত করুন।
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের এই প্রেক্ষাপটে আমাদের দায়িত্ব আরও বড়—আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ব, যেখানে কোনো নাগরিক ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হবে না। বরং আমরা সবাই হবো একে অপরের আনন্দ ও দুঃখের সাথী।
এই উৎসব হোক ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য আর মানবিকতার জয়গান।
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহিমান্বিত এই সময়ে আমি সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
জয় হোক মানবতার, জয় হোক সম্প্রীতির।
আরও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অবঃ) দিদারুল আলম। তিনি সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এসময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমরা একসাথে রাজনীতি করায় এবি পার্টির সাথে আমাদের একটি গভীর রাজনৈতিক বন্ধন তৈরি হয়েছে। দলগঠনের পর থেকে বাংলাদেশের সামাজিক প্রক্ষাপট বিবেচনা করে তারা রাজনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ধর্ম, বর্ণ, নারী নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণে এবি পার্টি আগামীতে বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, ব্যারিস্টার নাসরীন সুলতানা মিলি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান, শ্যাডো এ্যাফেয়ার্স সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আব্দুল হালিম খোকন, উত্তরের আহবায়ক সেলিম খান, যুবপার্টির সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকন, ছাত্রপক্ষের আহবায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স, দক্ষিণের সদস্য সচিব আহমেদ বারকাজ নাসির,উত্তরের সদস্য সচিব সামিউল ইসলাম সবুজ, সহকারী নারী বিষয়ক সম্পাদক শাহীনুর আক্তার শীলা, আমেনা বেগম,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক( ঢাকা) শাজাহান ব্যাপারী,সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রব জামিল, সহকারী দফতর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, রমনা থানা আহবায়ক মুন্সি আব্দুল কাদের, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম,রিপন মাহমুদ সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।



