তিস্তার পানি বৃদ্ধি, কাউনিয়া পয়েন্টের উপর দিয়ে প্রবাহীত

রংপুর ব্যুরোঃ তিস্তার পানি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক কম নয়। এ নিয়ে জল ঘোলাও কম হয়নি। কখনও পানি আছে কখনও নেই। কিন্তু এই ভরা চৈত্র মাসেই বেড়েছে তিস্তা নদীর পানি।
আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তিস্তা ব্যারেজের ভাটিতে অবস্থিত তিস্তার চর এলাকার উঠতি ফসল, কাউন, মরিচ-পেঁয়াজ, মিষ্টি কুমড়া, গম, ধান,তামাক ও ভুট্টাসহ বিস্তীর্ণ চরের দেড় হাজার একর জমির ফসল পানিতে ডুবে নষ্ট হচ্ছে। ফলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। তারা এই সংকট কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন তা ভেবে কূল পাচ্ছেন না।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদিন ইসলাম বলেন, গতকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যারেজের ৬টি জলকপাট খুলে দেওয়ায় ভাটিতে চরাঞ্চলে উৎপাদিত ফসল পানিতে ডুবে গেছে।
কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ঢুষমারার চর এলাকার চাষী আব্দুর রশিদ, চৈত্র মাসে তিস্তার পানি কেন বাড়ল জানা নাই। প্রতি বছরের চৈত্র মাসে এমন পানি আসে না। তাই আমরা জেগে ওঠা চরে নানান ধরনের ফসল ফলাই। এ বছর হঠাৎ পানি এসেছে। আমাদের প্রায় ছয় একর আবাদি জমির, ধান,মিষ্টিকুমড়া, পেঁয়াজ, রসুন ও বাদাম নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কৃষকের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
কাউনিয়া উপজেলা কৃষি শাহানাজ পারভিন বলেন, তিস্তার চরাঞ্চলে ৪.৫শ’ হেক্টর জমিতে কৃষকরা সেচ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল ফলান। তিস্তায় পানি বাড়ায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে উপজেলায় এখনো ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে। সেই তালিকা অনুযায়ী কৃষকদের সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করা হবে।




