তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে উগ্রবাদীদের মেরে ফেলা হচ্ছে : নজরুল ইসলাম

নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে বিচারের মুখোমুখি না করে উগ্রবাদীদের ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেছেন, জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে হয়তো এমন তথ্য পাওয়া যেত যাতে সরকারের জন্য বিব্রতকর হয়, তাদের সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশ হয়ে পড়ে, এজন্যই উগ্রবাদীদের মেরে ফেলা হচ্ছে।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে দেশনেত্রী ফোরাম এ সভার আয়োজন করে।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এ কে এম বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্বাধীনতা ফোরাম সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষকদল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কাজী মনিরুজ্জামান মনির, ইসমাঈল তালুকদার খোকন, মঞ্জুর হোসেন ঈসা, শামসুল আলম, যুবনেতা কাদের সিদ্দিকী, সরদার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, আনিসুর রহমান আনিস, দেওয়ান মহিদুল ইসলাম রতন, মোহন মোল্লা, মুসা ফরাজী, মনির হোসেন বেপারী প্রমুখ।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে আর বিএনপি সব সময় জঙ্গিবাদ দমন করেছে। তাই ক্ষমতাসীনদের বলবো জঙ্গি সন্দেহে ক্রসফায়ার নয়, সমূলে উৎখাতের ব্যবস্থা করুন। বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে জঙ্গিবাদ সমুলে নির্মূল করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম বলেন, তথাকথিত ১/১১ সরকারের সাথে আঁতাতের নির্বাচন করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগকে জনগণের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে বলেই ক্ষমতা ছাড়তে ভয় পাচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার স্বাভাবিকভাবেই ক্রমাগত অন্যায়, অপরাধ করে চলছে। তাই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করাটা অস্বাভাবিক নয়। মামলা হবে না বরং এটাই অস্বাভাবিক।
এ শ্রমিক নেতা বলেন, সরকার ও তার দলের নেতাকর্মীরা এখন বেপরোয়া। তারা মনে করে তাদের বিচার হবে না। বাস্তবেও তাই হচ্ছে।
রামপাল প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, রামপালে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে কিছু মানুষের ব্যক্তিগত লাভের বিষয় রয়েছে। পাশাপাশি যারা সরকারের লুটপাটের ভাগ পায়, যারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিতে প্রস্তুত কেবল তারাই চায় রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হোক।




