ডিসি-এসপির হুশিয়ারির পরের দিনই সিংড়ায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের পোষ্টার ছিনতাই!

নাটোর প্রতিনিধি : নাটোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এর কঠোর হুশিয়ারির পরও সিংড়া উপজেলার ইউপি নির্বাচনে আলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের পোষ্টার ছিনতাই, ছিড়ে নষ্ট ও হুমকি-ধামকি থামছে না। আর এসব অভিযোগ উঠেছে ক্ষমতাশীন নৌকার মনোনিত প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে।
শনিবার (১১ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্তকর্তার কাছে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ করেন ছাতারদীঘি ইউনিয়নের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাব হোসেন ও সুকাশ ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী আশীক ইকবাল। অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে ছাতারদিঘী ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে আলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন এর ঘোড়া প্রতীকের পোষ্টার ছিনতাই, ছিড়ে নষ্ট ও তার কর্মী সজিব মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় নৌকা প্রার্থীর কর্মী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামিম হোসেন সহ কতিপয় সন্ত্রাসী।
এদিকে শুক্রবার (১০ডিসেম্বর) সুকাশ ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজার এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী আশীক ইকবাল এর আনারস প্রতীকের ছিড়ে ফেলে তার উপর পা তুলে উল্লাস করে এবং ও কর্মীদের কোথায় পোষ্টার লাগাইতে দিবে না মর্মে শাসন-গর্জন করে নৌকার কর্মী আব্দুল আজিজসহ ২০ থেকে ৩০জনের বাহিনী।
ছাতারদিঘী ইউনিয়ন আলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলতাব হোসেন বলেন, তার প্রায় পাঁচ শতাধিক পোষ্টার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। একডালা ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামে পোষ্টার ছিড়ে নষ্ট করা হয়েছে। প্রচারণায় বাঁধা প্রদান ও হুমকি দেয়া হচ্ছে।
অপরদিকে সুকাশ ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী আশীক ইশবাল বলেন, আমার বিজয় সুনিশ্চিত জেনেই নৌকার কর্মীরা প্রচারণায় বাঁধা ও পোষ্টার ছিড়ে নষ্ট করছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযুক্ত ছাতারদিঘী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শামিম হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ছাতারদিঘী ইউপির রিটানিং কর্মকর্তা আতিকুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১০ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সিংড়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ ও পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা।




