
আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এমফিলের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল আলীম। তিনি ৯ নম্বর ব্যালট নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বুধবার(৬ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ১৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন। এসময় সেখানে সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তার ১৪ দফা ইশতেহার হলো- ১. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী মর্যাদাভিত্তিক সম্পর্ক নিশ্চিত করতে প্রচলিত ‘টপ টু বোটম’ লিডারশীপ স্টাইল বাতিল করে ‘রাউন্ড টেবিল লিডারশীপ’ চালু করা। ২. যেকোনো বড় ইস্যুতে বিষয়ভিত্তিক ওপেন-এন্ডেড ডিসকাশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মতামত গ্রহণ ও জরিপের ব্যবস্থা। ৩. ক্যাম্পাসের সম্পর্কের মানদণ্ড হবে সমতাভিত্তিক, অ্যাকাডেমিক সিনিয়রিটি-জুনিয়রিটির ভিত্তিতে। ৪. রাত ১২টার পর আবাসিক হলের করিডোরে কোনো স্লোগান বা কর্মসূচী চলবে না। ৫. গায়ে হাত তোলা বা মানসিক নির্যাতন বা হুমকি-ধামকির জন্য থাকবে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা। ৬. ছেলেদের মতো মেয়েদের হল তাদের প্রয়োজনীয় চলাফেরার জন্য ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। ৭. ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় প্রশাসনের পাশাপাশি ডাকসুর বিশেষ পেট্রোল টিম থাকবে এবং অভিযোগ বক্স বা অনলাইন কমপ্লেইন ইনবক্স বসানো হবে। ৮. গেস্টরুম নামক অপসংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া এবং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিধি বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। ৯. হলগুলোর ক্যান্টিন সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। ১০. প্রতিবছর প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া অন্তত এক শতাংশ বা অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থীর অ্যাকাডেমিক ব্যয়ভার বহন করবে ডাকসু ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল মেধাবীদের সম্মানিত করতে ডাকসু বৃত্তি চালু করা হবে। ১১. এমফিল-পিএইচডি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গবেষণা বৃত্তি দেওয়া হবে। ১২. কেন্দ্রীয় ও হলের লাইব্রেরিগুলো ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে, থাকবে সিসি-ক্যামেরা ও নিরাপত্তা। ১৩. শিক্ষার্থীদের মানসিক পরিস্থিতি উন্নত রাখতে করা হবে আধুনিক কাউন্সেলিং সেন্টার। ১৪. ডাকসুর উদ্যোগে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে (একজনের জন্য একটি করে) বছরে ৪০ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে।




