sliderস্থানিয়

ঝিনাইগাতীর কৃতি সন্তান লুবনা জামান ইউজিসি মেধাবৃত্তি পেয়েছে

মিজানুর রহমান,শেরপুর প্রতিনিধি: গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃতি সন্তান লুবনা জামান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী লুবনা জামান লিয়া ২০২৪ সালের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) প্রদত্ত মেধা বৃত্তির জন্য মনোনীত হওয়ার গৌরব অর্জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তার নাম প্রকাশিত হয়েছে।
লুবনা জামান ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষে বিবিএ (অনার্স) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন এবং সর্বোচ্চ CGPA ৩.৯৪ (৪.০০ স্কেলে) অর্জন করে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধীনে (মেধা) ক্যাটাগরি মনোনীত হন।

বিশ্ববিদ্যায় সুত্র জানায়,এই UGC মেধা বৃত্তি দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করতে প্রদান করা হয়।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কৃতিত্ব, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবেই এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তির অর্থ ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীর নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মোঃ এমদাদুল হক বলেন,“আমি মনে করি, ইউজিসি মেধাবৃত্তি অর্জনকারী শিক্ষার্থী লুবনা জামান-এর কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও মেধার স্বীকৃতি। তার এ অর্জন আমাদের বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়।

এটি তার একাডেমিক উৎকর্ষতার একটি স্পষ্ট প্রমাণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই সম্মাননা ভবিষ্যতে তাকে আরও উদ্যম ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। পাশাপাশি, এটি আমাদের বিভাগের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।”

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন লুবনা জামানসহ সকল মনোনীত শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যৎ জীবনে তাদের আরও সাফল্য কামনা করেছেন।

এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত নয়—এটি বিভাগের, বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং সকল শিক্ষার্থীর জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

লুবনা জামান শেরপুরের প্রবীন সাংবাদিক এসএম আমিরুজ্জামান লেবু ও শিক্ষিকা জেসমিন জামান জুঁই- এর কন্যা।
লুবনা জামান লিয়া তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বলেন,এই অর্জনের পেছনে অনেক নির্ঘুম রাত, অগণিত পরিশ্রম আর আত্মত্যাগসহ আমার স্যারদের সহযোগিতা। কেউ যদি কখনও জিজ্ঞেস করত—তোমার এত পরিশ্রমের উদ্দেশ্য কী? আমি বিনা দ্বিধায় বলতাম—আমি চাই, আমার বাবা-মা যেন গর্বের সাথে বলতে পারেন, ‘এই আমাদের মেয়ে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button