slider

‘জিয়াই এ দেশের রাজনীতিকে কলুষিত করেছে’–আমির হোসেন আমু এমপি

মোঃ শাহাদাত হোসেন মনু,ঝালকাঠি প্রতিনিধি : জিয়াই এদেশের রাজনীতিকে কলুষিত করেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। তিনি স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন
করেছিলেন। তাদের মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়ার পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধ করেন। রাজনীতিতে অযোগ্যদের পদায়ন করেন। তিনি আদর্শের রাজনীতি ধ্বংস করে খুনের রাজত্ব কায়েম করেন। জিয়াউর রহমানের অবৈধ ক্ষমতা দখল প্রসঙ্গে এমপি আমু বলেন, ‘জিয়াউর রহমান অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার নামে হ্যাঁ-না নাটক” করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। হাইকোর্ট এটিকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। এজন্য বিএনপির সৃষ্টিটাও অবৈধ হয়ে যায়।’ বৃহষ্পতিবার ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমী ভবন হলরুমে জাতীয় ভোটার দিবস’র আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেছেন ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য, আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও
সমন্বয়ক, শিল্পমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির
হোসেন আমু এমপি।

দেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭২ সালে মাত্র ৯মাসে স্বাধীন দেশের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সরকারের কোন সংবিধান ছিলো না। যে যেমন করে পারতেন দেশ চালাতেন। বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩শ আসনে নির্বাচনী ব্যবস্থা করা হয়। যা সংবিধানেও সন্নিবেশিত করা
হয়। বাংলাদেশের সংবিধানে কখনোই সামরিক শাসন যুক্ত ছিলো না। তিনি বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর যারাই ক্ষমতায় এসেছে, তারাই ১৫ আগস্টের খুনিদের মদদ দিয়েছে। যেভাবে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন, সেভাবে খালেদা জিয়াও পুনর্বাসন করেছেন। এরশাদও খুনিদের
মদদ দিয়েছেন পুরস্কৃত করেছেন।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে খুনি দাবি করে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান শুধু খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, এই হত্যার যাতে বিচার না হয়, সেই ব্যবস্থাও করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডে যারা জড়িত ছিল, তাদের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। ডালিমসহ অন্যদের যখন বিদেশে পাঠানো হলো, অনেক দেশ তাদের গ্রহণ করেনি। যেসব দেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের সপক্ষে ছিল, তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের কূটনীতিক হিসেবে মেনে নিতে পারেনি।’

জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম’র সভাপতিত্বে জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে জেলা নির্বাচন অফিস আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল হক, জেলা নির্বাচন অফিসার
মুন্সি অহিদুজ্জামান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button