জাতীয় ক্রিকেট : বিজয়ের পর নাসিরের ডাবল সেঞ্চুরি

১৯তম জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে যেন সেঞ্চুরি-ডাবল সেঞ্চুরির মেলা বসেছে। রানের এই উৎসবে যোগ দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়-নাসির হোসেনরা। পিছিয়ে নেই পাইপ লাইনে থাকা তরুণ ক্রিকেটাররাও। লিগের শুরু থেকেই ধারাবাহিক বিজয়। প্রথম রাউন্ডেই দেখা পেয়েছিলেন ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির। শুক্রবার ঢাকার বিপক্ষে আরেক ডাবল সেঞ্চুরি করে লিগের ষষ্ঠ ও শেষ রাউন্ডও রাঙালেন খুলনা বিভাগের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এটা তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি।
এদিন বিজয়ের পর ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেনও। রংপুর বিভাগের ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিটি করেছেন বরিশাল বিভাগের বিপক্ষে।
ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরির দেখা দ্বিতীয় দিনই পেয়েছিলেন বিজয়। তৃতীয়দিন সেই সেঞ্চুরিকে টেনে নিয়ে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। ১৬৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন খেলা শুরু করা বিজয় থেমেছেন শুভাগত হোমের বলে তৈবুর পারভেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ব্যক্তিগত ২০২ রানে থামেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ২৫১ বলের এই ইনিংসটি বিজয় সাজিয়েছেন ২৩টি চার ও চারটি ছক্কায়।
এর আগে বিজয়ের সঙ্গে ১৬৮ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মাতানো মেহেদী হাসান। এদিন ব্যাট করতে নেমে ডাবল সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়েছেন তিনি। ১৬০ বলে ২১ চার ও দুই ছক্কায় ১৭৭ রান করে ফিরে যান ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তৃতীয় উইকেটে বিজয়-মেহেদীর ২৯৫ রানের জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ শরীফ। মেহেদী ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন বিজয়। এই দুজনের ব্যাটে চড়ে আট উইকেট হারিয়ে ৪৫৯ রানে নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬৯ রানে চার উইকেট খুইয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে ঢাকা বিভাগ।
চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টায়ারের অন্য ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৮১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল রংপুর। এরপরই ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হন নাসির হোসেন। দ্বিতীয়দিনই দেখা পান ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরির। ১৬৪ বলে ১২ চার ও দুই ছয়ে সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
সেঞ্চুরি করেই থামেননি তিনি। ৩৫১ বলে ২১ চার ও দুই ছক্কায় ডাবল সেঞ্চুরি পূরণ করেন নাসির। ২৭০ রানে অপরাজিত আছেন ডানহাতি এই অলরাউন্ডার। এই ইনিংস খেলে ছাড়িয়ে গেছেন নিজের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহকে। এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নাসিরের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ২০১।
নাসিরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করেছেন খুলনা টাইটান্সের হয়ে আলো ছড়ানো আরিফুল হক। ২৯০ বলে ১৬২ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। নাসির-আরিফুলের ৩৮৫ রানের জুটিতে ভর করে পাঁচ উইকেটে ৫৭০ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে রংপুর।
প্রিয় স্পোর্টস




